বিউটি টিপস

শুষ্ক ত্বকের যত্নে কপালে ক্রিম লাগাচ্ছেন একজন নারী
ত্বকের যত্ন

শুষ্ক ত্বকের যত্ন: টানটান আর খসখসে ত্বক নরম রাখার সহজ নিয়ম

শুষ্ক ত্বকের যত্ন সহজ। মুখ ধোয়ার পর ত্বক হালকা ভেজা থাকতেই ময়েশ্চারাইজার লাগান, আর বেশি গরম পানি আর ফেনা বেশি হয় এমন ফেসওয়াশ এড়িয়ে চলুন, এতেই ত্বক নরম থাকে। শুষ্ক ত্বক মানে ত্বকে আর্দ্রতা আর তেল কম থাকে। তাই মুখ ধোয়ার পর ত্বক টানটান লাগে, গালে খসখসে ভাব আসে, আর শীতে এই সমস্যা আরও বেড়ে যায়। ভালো খবর হলো, কয়েকটা সহজ নিয়ম মানলেই শুষ্ক ত্বক নরম আর আরামদায়ক রাখা যায়। এই লেখায় কী লাগবে, কোন ধাপে কী করবেন, আর কোন ভুলগুলো এড়াবেন, তা ধাপে ধাপে দেওয়া আছে। শুষ্ক ত্বকের যত্নে যা লাগবে আপনার যা লাগবে তা হলো একটা হালকা ফেসওয়াশ, একটা ক্রিম ধরনের ময়েশ্চারাইজার, চাইলে একটা হায়ালুরনিক সিরাম, দিনের বেলা সানস্ক্রিন, আর একটা নরম তোয়ালে। নতুন কোনো প্রোডাক্ট শুরু করলে প্রথমে কানের পেছনে বা গলার ছোট একটা জায়গায় লাগিয়ে দেখে নিন, কোনো অস্বস্তি হলে সেটা ব্যবহার করবেন না। ধাপে ধাপে শুষ্ক ত্বকের যত্ন কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। বেশি গরম পানি ত্বকের স্বাভাবিক তেল ধুয়ে নেয়, তাই কুসুম গরম পানি ব্যবহার করুন। মুখ ধোয়ার নিয়ম জানতে চাইলে ফেসওয়াশ ব্যবহারের নিয়ম লেখাটা দেখে নিতে পারেন। হালকা ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন। ফেনা বেশি হয় এমন ফেসওয়াশ শুষ্ক ত্বক আরও শুষ্ক করে দেয়। ক্রিম বা মিল্ক ধরনের হালকা ফেসওয়াশ বেছে নিন, আর মুখ ধোয়ার সময় জোরে ঘষবেন না। তোয়ালে দিয়ে ঘষে মুছবেন না। মুখ ধোয়ার পর পরিষ্কার নরম তোয়ালে দিয়ে চেপে চেপে পানি মুছে নিন। ঘষে মুছলে ত্বক আরও রুক্ষ হয়ে যায়। ত্বক হালকা ভেজা থাকতেই ময়েশ্চারাইজার লাগান। মুখ ধোয়ার ৩ মিনিটের মধ্যে ময়েশ্চারাইজার লাগানো সবচেয়ে ভালো, কারণ এই সময় ত্বকে আর্দ্রতা আটকে থাকে। শুষ্ক ত্বকে হালকা লোশনের বদলে ক্রিম ধরনের ময়েশ্চারাইজার ভালো কাজ করে। ময়েশ্চারাইজারের নিয়ম জানতে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের নিয়ম লেখাটা পড়তে পারেন। শুষ্কভাব বেশি হলে সিরাম লাগান। ভেজা ত্বকে প্রথমে ২ থেকে ৩ ফোঁটা হায়ালুরনিক সিরাম লাগিয়ে নিন, তারপর ময়েশ্চারাইজার লাগান। এতে আর্দ্রতা ভালোভাবে ধরে থাকে। দিনের বেলা সানস্ক্রিন লাগান। শীতের রোদ কোমল মনে হলেও রোদ ত্বকের ক্ষতি করে, তাই বাইরে যাওয়ার আগে ময়েশ্চারাইজারের পর সানস্ক্রিন লাগান। সানস্ক্রিন কতক্ষণ পর পর লাগাতে হয় জানতে সানস্ক্রিন কতক্ষণ পর পর লাগাতে হয় লেখাটা দেখে নিতে পারেন। সপ্তাহে এক থেকে দুইবার হালকা স্ক্রাব করুন। স্ক্রাব করলে ত্বকের উপরের মরা চামড়া উঠে যায়, আর ময়েশ্চারাইজার ভালোভাবে কাজ করে। প্রতিদিন স্ক্রাব করবেন না, এতে ত্বক আরও শুষ্ক হয়ে যায়। রাতে ঘুমানোর আগে আরেকবার ময়েশ্চারাইজার লাগান। রাতে ত্বক বিশ্রাম পায়, তাই ঘুমানোর আগে ময়েশ্চারাইজার লাগালে সকালে ত্বক নরম থাকে। রাতের রুটিন জানতে রাতের স্কিনকেয়ার রুটিন লেখাটা পড়তে পারেন। শুষ্ক ত্বকের যত্নে কাজে লাগে এমন প্রোডাক্ট কেনার আগে প্রোডাক্ট পেজে বর্তমান দাম আর স্টক দেখে নিন, কারণ দাম আর স্টক সময়ের সাথে বদলাতে পারে। প্রোডাক্ট ব্যবহার বিধি অর্ডার করুন মুখ ধোয়ার জন্য হালকা ক্লিনজার: Cetaphil Gentle Skin Cleanser 125ml কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ভিজিয়ে অল্প করে লাগিয়ে ধুয়ে নিন। অর্ডার করুন ভেজা ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখতে: Kormesic Hyaluronic Serum 30ml মুখ ধুয়ে ত্বক হালকা ভেজা থাকতে ২ থেকে ৩ ফোঁটা লাগিয়ে নিন। অর্ডার করুন ত্বক নরম রাখতে ঘন ময়েশ্চারাইজার: The Face Shop Rice & Ceramide Moisturizing Cream 50ml সিরামের পর অল্প করে লাগিয়ে আলতো করে মিশিয়ে নিন। অর্ডার করুন দিনের বেলা রোদ থেকে বাঁচতে: Dot & Key Mango Detan Gel Oil Free Sunscreen SPF 50+ PA+++ 50g ময়েশ্চারাইজারের পর অল্প করে লাগিয়ে বসতে দিন। অর্ডার করুন ত্বকের যত্ন নিয়ে আরও লেখা পড়তে চাইলে ত্বকের যত্ন ক্যাটাগরি দেখতে পারেন। সাধারণ ভুল যা এড়িয়ে চলবেন সবচেয়ে বড় ভুল হলো বেশি গরম পানি দিয়ে মুখ ধোয়া, এতে ত্বকের স্বাভাবিক তেল উঠে যায়। ফেনা বেশি হয় এমন ফেসওয়াশ ব্যবহার করা, মুখ পুরো শুকিয়ে যাওয়ার পর ময়েশ্চারাইজার লাগানো, আর তোয়ালে দিয়ে জোরে ঘষে মুখ মোছাও ভুল। প্রতিদিন স্ক্রাব করলে ত্বক আরও শুষ্ক হয়ে যায়, তাই সপ্তাহে এক থেকে দুইবারের বেশি স্ক্রাব করবেন না। শীতে সানস্ক্রিন না লাগানোও ভুল, কারণ শীতের রোদেও ত্বকের ক্ষতি হয়। ত্বক চুলকালে আঁচড়াবেন না, এতে ত্বক ফেটে যেতে পারে, বরং ময়েশ্চারাইজার লাগান। আর শুধু বাইরে থেকে মাখলেই হবে না, দিনে ৮ থেকে ১০ গ্লাস পানি পান করুন, যাতে শরীর ভেতর থেকে হাইড্রেটেড থাকে। সারসংক্ষেপ শুষ্ক ত্বকের যত্ন সহজ: কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে হালকা ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন, তোয়ালে দিয়ে ঘষে না মুছে চেপে চেপে পানি মুছে নিন, আর ত্বক হালকা ভেজা থাকতেই ময়েশ্চারাইজার লাগান। শুষ্কভাব বেশি হলে সিরাম লাগিয়ে তারপর ময়েশ্চারাইজার লাগান, দিনের বেলা সানস্ক্রিন লাগান, আর সপ্তাহে এক থেকে দুইবার হালকা স্ক্রাব করুন। নতুন প্রোডাক্ট শুরু করলে প্রথমে ছোট জায়গায় লাগিয়ে দেখে নিন। এই লেখা সাধারণ যত্নের গাইড, এটা চিকিৎসার পরামর্শ নয়। এই লেখায় কোনো স্থায়ী দামের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি, আর কোনো প্রোডাক্ট ত্বকের রং স্থায়ীভাবে বদলে দেবে বা দাগ পুরোপুরি সারিয়ে দেবে, এমন দাবি করা হয়নি। সচরাচর জিজ্ঞাসা প্রশ্ন: শুষ্ক ত্বকে দিনে কয়বার ময়েশ্চারাইজার লাগাব?উত্তর: দিনে দুইবার লাগানো ভালো, সকালে মুখ ধোয়ার পর একবার আর রাতে ঘুমানোর আগে একবার। শীতকালে ত্বক বেশি শুষ্ক লাগলে দুপুরে আরও একবার লাগাতে পারেন। প্রশ্ন: শুষ্ক ত্বকে কি ফেসওয়াশ ব্যবহার করা যাবে?উত্তর: হ্যাঁ, তবে হালকা আর ক্রিম ধরনের ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন। ফেনা বেশি হয় এমন ফেসওয়াশ শুষ্ক ত্বক আরও শুষ্ক করে দেয়। প্রশ্ন: শীতে শুষ্ক ত্বক বেশি হয় কেন?উত্তর: শীতে বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে, তাই ত্বক থেকে আর্দ্রতা দ্রুত উড়ে যায়। এছাড়া শীতে গরম পানি দিয়ে গোসল আর মুখ ধোয়ার অভ্যাসও ত্বক শুষ্ক করে দেয়। প্রশ্ন: শুষ্ক ত্বকে তেল লাগানো কি ভালো?উত্তর: ময়েশ্চারাইজারের পর ২ ফোঁটা হালকা তেল লাগালে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। তবে তেল ময়েশ্চারাইজারের বদলে ব্যবহার করবেন না, কারণ তেল নিজে ত্বকে আর্দ্রতা দেয় না। প্রশ্ন: ময়েশ্চারাইজার লাগানোর সঠিক সময় কখন?উত্তর: মুখ ধোয়ার পর ত্বক হালকা ভেজা থাকতেই লাগান, ৩ মিনিটের মধ্যে লাগানো সবচেয়ে ভালো। ত্বক পুরো শুকিয়ে গেলে ময়েশ্চারাইজার ততটা ভালোভাবে কাজ করে না।

প্রাইমার ব্যবহারের নিয়ম মেনে গালে ক্রিম লাগাচ্ছেন একজন নারী
বিউটি টিপস

প্রাইমার ব্যবহারের নিয়ম: মেকআপ সুন্দর আর টেকসই রাখার সহজ গাইড

প্রাইমার ব্যবহারের নিয়ম সহজ। ময়েশ্চারাইজার আর সানস্ক্রিন লাগিয়ে ত্বকে বসতে দেওয়ার পর মটর দানার মতো অল্প প্রাইমার নিয়ে মুখে পাতলা করে লাগিয়ে এক থেকে দুই মিনিট অপেক্ষা করুন, তারপর ফাউন্ডেশন বা বিবি ক্রিম লাগান। প্রাইমার হলো মেকআপের আগের একটা হালকা বেস। এটা ত্বকের উপর একটা মসৃণ স্তর তৈরি করে, লোমকূপের ছিদ্র কম দেখাতে সাহায্য করে, আর ফাউন্ডেশন মুখে ভালোভাবে বসতে সাহায্য করে। ঠিকভাবে লাগালে মেকআপ দেখতে সুন্দর লাগে আর বেশিক্ষণ ঠিক থাকে। এই লেখায় কী লাগবে, কোন ধাপে কী করবেন, আর কোন ভুলগুলো এড়াবেন, তা ধাপে ধাপে দেওয়া আছে। প্রাইমার লাগানোর আগে যা লাগবে আপনার যা লাগবে তা হলো একটা হালকা ফেসওয়াশ, ময়েশ্চারাইজার, দিনের বেলা হলে সানস্ক্রিন, একটা প্রাইমার, আর ফাউন্ডেশন বা বিবি ক্রিম। প্রাইমার লাগানোর জন্য আঙুলের ডগাই যথেষ্ট, তবে চাইলে একটা ভেজা মেকআপ স্পঞ্জ বা নরম ব্রাশ ব্যবহার করতে পারেন। নতুন কোনো প্রাইমার শুরু করলে প্রথমে কানের পেছনে বা গলার ছোট একটা জায়গায় লাগিয়ে দেখে নিন, কোনো অস্বস্তি হলে সেটা ব্যবহার করবেন না। ধাপে ধাপে প্রাইমার ব্যবহারের নিয়ম মুখ ধুয়ে নিন। প্রথমে হালকা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন, তারপর পরিষ্কার নরম তোয়ালে দিয়ে চেপে চেপে পানি মুছে নিন, ঘষে মুছবেন না। মুখ ধোয়ার নিয়ম জানতে চাইলে ফেসওয়াশ ব্যবহারের নিয়ম লেখাটা দেখে নিতে পারেন। ময়েশ্চারাইজার লাগান। মুখ হালকা ভেজা থাকতেই অল্প ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন, তারপর কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন, যাতে ময়েশ্চারাইজার ত্বকে বসে যায়। প্রাইমার ময়েশ্চারাইজারের বদলে ব্যবহার করবেন না, কারণ প্রাইমার ত্বকে আর্দ্রতা দেয় না। ময়েশ্চারাইজারের নিয়ম জানতে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের নিয়ম লেখাটা পড়তে পারেন। দিনের বেলা সানস্ক্রিন লাগান। বাইরে যাওয়ার আগে ময়েশ্চারাইজারের পর সানস্ক্রিন লাগিয়ে একটু বসতে দিন, তারপর প্রাইমার লাগান। প্রাইমার সানস্ক্রিনের বদলে ব্যবহার করা যায় না, কারণ প্রাইমার রোদ থেকে বাঁচায় না। অল্প প্রাইমার নিন। মটর দানার মতো অল্প প্রাইমার হাতের উল্টো পাশে নিন। পুরো মুখের জন্য এতটুকুই যথেষ্ট, বেশি নিলে মেকআপ পিছলে যেতে পারে। মুখের মাঝখান থেকে বাইরের দিকে লাগান। কপাল, নাক, দুই গাল আর থুতনিতে ছোট ছোট করে প্রাইমার দিন, তারপর আঙুলের ডগা দিয়ে আলতো করে মিশিয়ে নিন। নাকের দুই পাশে আর গালে লোমকূপ বেশি দেখা গেলে সেখানে একটু বেশি করে লাগাতে পারেন। জোরে ঘষবেন না, আলতো করে চেপে চেপে বসান। এক থেকে দুই মিনিট অপেক্ষা করুন। প্রাইমার ত্বকে বসে গেলে তারপর ফাউন্ডেশন লাগান। এই অপেক্ষাটা খুব দরকার, কারণ তাড়াহুড়ো করে ফাউন্ডেশন লাগালে প্রাইমার আর ফাউন্ডেশন মিশে গিয়ে মেকআপ দানা দানা দেখাতে পারে। ফাউন্ডেশন বা বিবি ক্রিম লাগান। ভেজা স্পঞ্জ বা ব্রাশ দিয়ে ফাউন্ডেশন চেপে চেপে লাগান, ঘষে লাগাবেন না, তাহলে নিচের প্রাইমারের স্তর নষ্ট হয় না। ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্রাইমার বাছা সবার ত্বক এক রকম নয়, তাই প্রাইমারও সবার জন্য এক রকম হয় না। তৈলাক্ত ত্বকে হালকা ম্যাট ধরনের প্রাইমার ভালো লাগে, কারণ এটা বাড়তি তেল কম দেখাতে সাহায্য করে। শুষ্ক ত্বকে হাইড্রেটিং ধরনের প্রাইমার ভালো লাগে, কারণ এটা ত্বক টানটান দেখায় না। সংবেদনশীল ত্বকে হালকা আর সুগন্ধি ছাড়া প্রাইমার বেছে নেওয়া ভালো। আরেকটা কথা মনে রাখবেন, প্রাইমার আর ফাউন্ডেশনের ধরন মিলিয়ে নিন। পানি ভিত্তিক ফাউন্ডেশনের সাথে পানি ভিত্তিক প্রাইমার, আর সিলিকন ভিত্তিক ফাউন্ডেশনের সাথে সিলিকন ভিত্তিক প্রাইমার ব্যবহার করলে মেকআপ ভালোভাবে বসে। প্রাইমারের রুটিনে কাজে লাগে এমন প্রোডাক্ট কেনার আগে প্রোডাক্ট পেজে বর্তমান দাম আর স্টক দেখে নিন, কারণ দাম আর স্টক সময়ের সাথে বদলাতে পারে। প্রোডাক্ট ব্যবহার বিধি অর্ডার করুন প্রাইমারের আগে ত্বক নরম রাখতে: Simple Kind to Skin Hydrating Light Moisturiser 125ml মুখ ধুয়ে অল্প করে লাগিয়ে ত্বকে বসতে দিন। অর্ডার করুন দিনের বেলা প্রাইমারের আগে রোদ থেকে বাঁচতে: Dot & Key Mango Detan Gel Oil Free Sunscreen SPF 50+ PA+++ 50g ময়েশ্চারাইজারের পর অল্প করে লাগিয়ে বসতে দিন। অর্ডার করুন প্রাইমারের পর হালকা বেস হিসেবে: Kormesic BB Cream 30g – Flawless Coverage & Natural Glow প্রাইমার বসে গেলে অল্প করে লাগিয়ে মিশিয়ে নিন। অর্ডার করুন মেকআপ শেষে ধরে রাখতে: Kormesic 24HR Long Lasting Setting Spray 100ml – Makeup Fixer মেকআপ শেষে মুখ থেকে দূরে ধরে হালকা করে স্প্রে করুন। অর্ডার করুন মেকআপের আরও জিনিস দেখতে চাইলে Well Care Shop এর মেকআপ ক্যাটাগরি দেখতে পারেন। সাধারণ ভুল যা এড়িয়ে চলবেন সবচেয়ে বড় ভুল হলো একবারে অনেক বেশি প্রাইমার নেওয়া, এতে মেকআপ পিছলে যেতে পারে। ময়েশ্চারাইজার না লাগিয়ে প্রাইমার লাগানো, প্রাইমার না বসিয়ে ফাউন্ডেশন লাগানো, আর জোরে ঘষে প্রাইমার লাগানোও ভুল। শুষ্ক ত্বকে ম্যাট প্রাইমার লাগালে ত্বক আরও শুষ্ক দেখাতে পারে, তাই ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্রাইমার বাছুন। প্রাইমারের সাথে না মেলা ফাউন্ডেশন লাগালেও মেকআপ দানা দানা দেখাতে পারে, তাই নতুন জোড়া শুরু করলে প্রথমে হাতের উল্টো পাশে লাগিয়ে দেখে নিন। মেকআপ শেষে না তুলে ঘুমাবেন না, মেকআপ তোলার নিয়ম জানতে মেকআপ তোলার নিয়ম লেখাটা পড়তে পারেন। আর মেকআপ ব্রাশ নিয়মিত না ধুলে ব্রাশে মেকআপ জমে যায়, তাই মেকআপ ব্রাশ পরিষ্কার করার নিয়ম মেনে ব্রাশ ধুয়ে নিন। সারসংক্ষেপ প্রাইমার ব্যবহারের নিয়ম সহজ: মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগান, দিনের বেলা সানস্ক্রিন লাগান, তারপর মটর দানার মতো অল্প প্রাইমার নিয়ে মুখের মাঝখান থেকে বাইরের দিকে আলতো করে মিশিয়ে নিন, এক থেকে দুই মিনিট অপেক্ষা করুন, তারপর ফাউন্ডেশন বা বিবি ক্রিম চেপে চেপে লাগান। নতুন প্রাইমার শুরু করলে প্রথমে ছোট জায়গায় লাগিয়ে দেখে নিন। এই লেখা সাধারণ যত্নের গাইড, এটা চিকিৎসার পরামর্শ নয়। এই লেখায় কোনো স্থায়ী দামের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি, আর কোনো প্রোডাক্ট ত্বকের রং স্থায়ীভাবে বদলে দেবে বা দাগ পুরোপুরি সারিয়ে দেবে, এমন দাবি করা হয়নি। সচরাচর জিজ্ঞাসা প্রশ্ন: প্রাইমার কি প্রতিদিন ব্যবহার করা যায়? উত্তর: মেকআপ করার দিনে প্রাইমার ব্যবহার করা যায়। মেকআপ না করলে প্রাইমার লাগানোর দরকার নেই। প্রশ্ন: প্রাইমারের আগে কি ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে? উত্তর: হ্যাঁ, প্রাইমারের আগে ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। ময়েশ্চারাইজার ত্বকে বসে যাওয়ার পর প্রাইমার লাগান, এতে প্রাইমার ভালোভাবে বসে। প্রশ্ন: প্রাইমার লাগানোর কতক্ষণ পর ফাউন্ডেশন লাগাব? উত্তর: এক থেকে দুই মিনিট অপেক্ষা করুন। প্রাইমার ত্বকে বসে গেলে তারপর ফাউন্ডেশন লাগান, এতে মেকআপ দানা দানা দেখায় না। প্রশ্ন: তৈলাক্ত ত্বকে কোন প্রাইমার ভালো? উত্তর: তৈলাক্ত ত্বকে হালকা ম্যাট ধরনের প্রাইমার ভালো লাগে। এটা বাড়তি তেল কম দেখাতে সাহায্য করে, আর মেকআপ বেশিক্ষণ ঠিক থাকে। প্রশ্ন: প্রাইমার কি সানস্ক্রিনের বদলে ব্যবহার করা যায়? উত্তর: না, প্রাইমার সানস্ক্রিনের বদলে ব্যবহার করা যায় না। দিনের বেলা ময়েশ্চারাইজারের পর সানস্ক্রিন লাগান, তারপর প্রাইমার লাগান।

ফেসওয়াশ ব্যবহারের নিয়মে পানি দিয়ে মুখ ধুচ্ছেন একজন নারী
ত্বকের যত্ন

ফেসওয়াশ ব্যবহারের নিয়ম: মুখ পরিষ্কার রাখার সহজ ধাপ

ফেসওয়াশ ব্যবহারের নিয়ম সহজে ফেসওয়াশ ব্যবহারের নিয়ম সহজ। মুখ হালকা গরম পানি দিয়ে ভিজিয়ে অল্প ফেসওয়াশ হাতে ফেনা করে মুখে আলতো করে লাগিয়ে ধুয়ে নিলেই হয়। সারাদিন মুখে ধুলো, ঘাম আর তেল জমে। ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুলে এই ময়লা পরিষ্কার হয়, ত্বক হালকা লাগে, আর পরের যত্নের জিনিস, যেমন টোনার বা ময়েশ্চারাইজার, ত্বকে ভালোভাবে বসে। তবে মুখ ধোয়ার নিয়ম ঠিক না থাকলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে, তাই পরিমাণ আর সময় দুটোই ঠিক রাখা দরকার। ফেসওয়াশ লাগানোর আগে যা দরকার প্রথমে হাত ধুয়ে নিন, যাতে হাতের ময়লা মুখে না লাগে। একটা পরিষ্কার নরম তোয়ালে রাখুন। নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী ফেসওয়াশ বেছে নিন। তৈলাক্ত ত্বকে হালকা জেল ধরনের ফেসওয়াশ ভালো লাগে, শুষ্ক ত্বকে ক্রিম ধরনের ফেসওয়াশ ভালো লাগে, সংবেদনশীল ত্বকে হালকা আর সুগন্ধি ছাড়া ফেসওয়াশ বেছে নেওয়া ভালো। নতুন ফেসওয়াশ শুরু করলে প্রথমে কানের পেছনে বা গলার ছোট একটা জায়গায় লাগিয়ে দেখে নিন, কোনো অস্বস্তি হলে সেটা ব্যবহার করবেন না। ফেসওয়াশ লাগানোর ধাপ হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন, তারপর মুখ হালকা গরম পানি দিয়ে ভিজিয়ে নিন, খুব গরম পানি ব্যবহার করবেন না। হাতের তালুতে অল্প ফেসওয়াশ নিন, একটা ছোট বিন্দুর মতো পরিমাণই যথেষ্ট, বেশি নিলে ত্বক শুষ্ক লাগতে পারে। দুই হাতের তালুতে হালকা করে ফেনা করে নিন, তারপর কপাল, দুই গাল, নাক আর থুতনিতে আলতো করে লাগান। আঙুলের ডগা দিয়ে গোল করে হালকা করে ঘষুন, জোরে ঘষবেন না, চোখের ভেতরে লাগাবেন না। প্রায় ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড এভাবে রাখুন, তারপর হালকা গরম পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিন, যাতে ফেনা একটুও থেকে না যায়। পরিষ্কার নরম তোয়ালে দিয়ে চেপে চেপে পানি মুছে নিন, ঘষে মুছবেন না। মুখ ধোয়ার পর ত্বক হালকা ভেজা থাকতেই ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন, এতে ত্বক নরম থাকে। সাধারণত দিনে দুইবার, সকালে আর রাতে, মুখ ধোয়া যায়। ঘাম বেশি হলে আরেকবার হালকা করে ধোয়া যায়, তবে বারবার ধোয়া ঠিক নয়। মুখ ধোয়ার পর টোনার ব্যবহার করতে চাইলে টোনার ব্যবহারের নিয়ম লেখাটা দেখে নিতে পারেন, আর ময়েশ্চারাইজারের নিয়ম জানতে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের নিয়ম লেখাটা দেখে নিতে পারেন। ফেসওয়াশ কিনতে চাইলে নিচের প্রোডাক্টগুলো Well Care Shop এ পাওয়া যায়, অর্ডার করার আগে প্রোডাক্ট পেজে দাম আর স্টক দেখে নিন। প্রোডাক্ট ব্যবহার বিধি অর্ডার করুন দৈনিক মুখ পরিষ্কারের জন্য: BIODERMA Sebium Gel Moussant Face Wash 200ml মুখ ভিজিয়ে অল্প জেল ফেনা করে লাগিয়ে ধুয়ে নিন। অর্ডার করুন সংবেদনশীল ত্বকের জন্য: Cetaphil Gentle Skin Cleanser 125ml মুখ ভিজিয়ে অল্প ক্লিনজার হালকা করে লাগিয়ে ধুয়ে নিন। অর্ডার করুন তৈলাক্ত ত্বকের জন্য: Cetaphil Oily Skin Cleanser 125ml মুখ ভিজিয়ে অল্প ক্লিনজার লাগিয়ে ধুয়ে নিন। অর্ডার করুন শুষ্ক ত্বকের জন্য: Dot & Key Barrier Repair Gentle Hydrating Face Wash 100ml মুখ ভিজিয়ে অল্প ফেসওয়াশ ফেনা করে লাগিয়ে ধুয়ে নিন। অর্ডার করুন সাধারণ ভুল যা এড়িয়ে চলবেন সবচেয়ে বড় ভুল হলো একবারে অনেক বেশি ফেসওয়াশ নেওয়া, এতে ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। খুব গরম পানি দিয়ে মুখ ধোয়া, জোরে ঘষে মুখ ধোয়া, চোখের ভেতরে ফেসওয়াশ লাগানো, আর ফেনা ভালোভাবে না ধোয়াও ভুল। দিনে অনেকবার মুখ ধোয়া, মুখ না ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগানো, আর একসাথে অনেক নতুন প্রোডাক্ট শুরু করাও ঠিক নয়। তোয়ালে পরিষ্কার না থাকলে সেটা দিয়েও মুখ মোছা ঠিক নয়। সারসংক্ষেপ ফেসওয়াশ ব্যবহারের নিয়ম সহজ: হাত ধুয়ে মুখ হালকা গরম পানি দিয়ে ভিজিয়ে অল্প ফেসওয়াশ ফেনা করে কপাল, গাল, নাক আর থুতনিতে আলতো করে লাগান, ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ড পর ভালোভাবে ধুয়ে নরম তোয়ালে দিয়ে চেপে মুছে নিন, তারপর হালকা ভেজা ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন। নতুন ফেসওয়াশ শুরু করলে প্রথমে ছোট জায়গায় লাগিয়ে দেখে নিন। এই লেখা সাধারণ যত্নের গাইড, এটা চিকিৎসার পরামর্শ নয়। এই লেখায় কোনো স্থায়ী দামের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি, আর কোনো প্রোডাক্ট ত্বকের রং স্থায়ীভাবে বদলে দেবে বা দাগ পুরোপুরি সারিয়ে দেবে, এমন দাবি করা হয়নি। সচরাচর জিজ্ঞাসা প্রশ্ন: দিনে কতবার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোবো?উত্তর: সাধারণত দিনে দুইবার, সকালে আর রাতে মুখ ধোয়া যায়। ঘাম বেশি হলে আরেকবার হালকা করে ধোয়া যায়, তবে দিনে অনেকবার ধোয়া ঠিক নয়। প্রশ্ন: ফেসওয়াশের পর কি ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে?উত্তর: হ্যাঁ, মুখ ধোয়ার পর ত্বক হালকা ভেজা থাকতেই ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিলে ত্বক নরম থাকে। প্রশ্ন: গরম পানি দিয়ে কি মুখ ধোয়া যাবে?উত্তর: খুব গরম পানি দিয়ে মুখ ধোয়া ঠিক নয়। হালকা গরম পানি ব্যবহার করুন, এতে ত্বক শুষ্ক কম হয়। প্রশ্ন: মেকআপ থাকলে কি আগে মেকআপ তুলতে হবে?উত্তর: হ্যাঁ, মেকআপ থাকলে প্রথমে মেকআপ তুলে নিন, তারপর ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন, এতে মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার হয়।

ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের নিয়ম মেনে মুখে ক্রিম লাগাচ্ছেন একজন নারী
ত্বকের যত্ন

ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের নিয়ম: ত্বক নরম আর সতেজ রাখার সহজ ধাপ

ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের নিয়ম সহজে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের নিয়ম সহজ। মুখ ধুয়ে হালকা ভেজা ত্বকে অল্প ময়েশ্চারাইজার নিয়ে আলতো করে লাগিয়ে নিলেই হয়। ময়েশ্চারাইজার ত্বকের ভেতরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। মুখ ধোয়ার পর ত্বক অনেক সময় টানটান লাগে, শুষ্ক হয়ে যায়, আর তখনই ময়েশ্চারাইজার কাজে লাগে। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক নরম থাকে, আর মেকআপও ভালোভাবে বসে। ময়েশ্চারাইজার লাগানোর আগে যা দরকার প্রথমে মুখ ধোয়ার জন্য হালকা ফেসওয়াশ দরকার, আর একটা পরিষ্কার নরম তোয়ালে দরকার। ময়েশ্চারাইজার লাগানোর আগে হাত ধুয়ে নিন, যাতে হাতের ময়লা মুখে না লাগে। নতুন কোনো ময়েশ্চারাইজার শুরু করলে প্রথমে কানের পেছনে বা গলার ছোট একটা জায়গায় লাগিয়ে দেখে নিন, কোনো অস্বস্তি হলে সেটা ব্যবহার করবেন না। ময়েশ্চারাইজার লাগানোর ধাপ মুখ হালকা ফেসওয়াশ দিয়ে ধুয়ে নিন, আর তোয়ালে দিয়ে চেপে চেপে পানি মুছে নিন, ঘষে মুছবেন না। ত্বক পুরোপুরি শুকানোর আগে, হালকা ভেজা থাকতেই ময়েশ্চারাইজার লাগান, এতে আর্দ্রতা ভালোভাবে আটকে থাকে। হাতের তালুতে অল্প পরিমাণ নিন, একটা ছোট বিন্দুর মতো পরিমাণই মুখের জন্য যথেষ্ট, বেশি নিলে মুখ ভারী লাগতে পারে। দুই হাতের তালুতে হালকা করে মিশিয়ে নিন, তারপর কপাল, দুই গাল, নাক আর থুতনিতে ছোট ছোট বিন্দু করে দিন। নিচ থেকে উপরের দিকে আলতো করে মেখে নিন, জোরে ঘষবেন না, চোখের ভেতরে লাগাবেন না। গলাতেও অল্প করে লাগিয়ে নিন, কারণ গলার ত্বকও শুষ্ক হয়। সকালে ময়েশ্চারাইজার লাগানোর পর সানস্ক্রিন লাগিয়ে নিন, রাতে ময়েশ্চারাইজার দিয়ে রুটিন শেষ করুন। প্রথমবার নতুন ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে একদিন অপেক্ষা করে দেখুন, ত্বকে কোনো অস্বস্তি আছে কি না, তারপর নিয়মিত ব্যবহার করুন। মুখ ধোয়ার পর টোনার ব্যবহার করতে চাইলে টোনার ব্যবহারের নিয়ম লেখাটা দেখে নিতে পারেন, তারপর ময়েশ্চারাইজার লাগান। ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার বাছা সবার ত্বক এক রকম নয়, তাই ময়েশ্চারাইজারও সবার জন্য এক রকম হয় না। তৈলাক্ত ত্বকে হালকা জেল ধরনের ময়েশ্চারাইজার ভালো লাগে, কারণ এটা মুখে ভারী লাগে না। শুষ্ক ত্বকে একটু ঘন ক্রিম ভালো লাগে, কারণ এটা আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। সংবেদনশীল ত্বকে হালকা আর সুগন্ধি ছাড়া ময়েশ্চারাইজার বেছে নেওয়া ভালো। মিশ্র ত্বকে গালে ক্রিম আর কপাল নাকে হালকা জেল ব্যবহার করা যায়। নিজের ত্বকে যেটা হালকা লাগে আর অস্বস্তি হয় না, সেটাই ঠিক। ময়েশ্চারাইজার কিনতে চাইলে নিচের প্রোডাক্টগুলো Well Care Shop এ পাওয়া যায়, অর্ডার করার আগে প্রোডাক্ট পেজে দাম আর স্টক দেখে নিন। প্রোডাক্ট ব্যবহার বিধি অর্ডার করুন তৈলাক্ত ও ব্রণপ্রবণ ত্বকের জন্য: Acnemoist Moisturiser Cream 60gm – Oil Free Hydration মুখ ধুয়ে হালকা ভেজা ত্বকে অল্প করে লাগিয়ে নিচ থেকে উপরের দিকে মেখে নিন। অর্ডার করুন সাধারণ ও শুষ্ক ত্বকের জন্য: Aquasoft FC Advanced Facial Cream 100g Daily Moisturizer মুখ ধুয়ে সকালে ও রাতে অল্প ক্রিম হালকা ভেজা ত্বকে মেখে নিন। অর্ডার করুন তৈলাক্ত ও মিশ্র ত্বকের জন্য: Cipla Excela Moisturiser 50g – Oil-Free Face Cream মুখ ধুয়ে অল্প করে লাগিয়ে আলতো করে মেখে নিন। অর্ডার করুন শুষ্ক ও ক্লান্ত ত্বকের জন্য: DABO All In One Black Snail Repair Cream 50ml মুখ ধুয়ে অল্প ক্রিম গালে ও কপালে মেখে নিন। অর্ডার করুন সাধারণ ভুল যা এড়িয়ে চলবেন সবচেয়ে বড় ভুল হলো একবারে অনেক বেশি ময়েশ্চারাইজার নেওয়া, এতে মুখ তেলতেলে আর ভারী লাগে। মুখ না ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগানো, পুরোপুরি শুকনো ত্বকে লাগানো, চোখের ভেতরে লাগানো আর জোরে ঘষে মাখাও ভুল। একসাথে অনেক নতুন প্রোডাক্ট শুরু করা, প্যাচ টেস্ট না করা, আর সকালে ময়েশ্চারাইজারের পর সানস্ক্রিন না লাগানোও ঠিক নয়। আরেকটি ভুল হলো শুধু শীতে ময়েশ্চারাইজার লাগানো, গরমেও ত্বকের আর্দ্রতা দরকার হয়। সারসংক্ষেপ ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের নিয়ম সহজ: মুখ ধুয়ে হালকা ভেজা ত্বকে অল্প ময়েশ্চারাইজার নিয়ে কপাল, গাল, নাক আর থুতনিতে বিন্দু করে দিন, তারপর নিচ থেকে উপরের দিকে আলতো করে মেখে নিন, সকালে সানস্ক্রিন দিয়ে শেষ করুন আর রাতে ময়েশ্চারাইজার দিয়ে রুটিন শেষ করুন। নতুন প্রোডাক্ট শুরু করলে প্রথমে ছোট জায়গায় লাগিয়ে দেখে নিন। এই লেখা সাধারণ যত্নের গাইড, এটা চিকিৎসার পরামর্শ নয়। এই লেখায় কোনো স্থায়ী দামের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি, আর কোনো প্রোডাক্ট ত্বকের রং স্থায়ীভাবে বদলে দেবে বা দাগ পুরোপুরি সারিয়ে দেবে, এমন দাবি করা হয়নি। সচরাচর জিজ্ঞাসা প্রশ্ন: দিনে কতবার ময়েশ্চারাইজার লাগাবো?উত্তর: সাধারণত দিনে দুইবার, সকালে আর রাতে মুখ ধোয়ার পর লাগানো যায়। ত্বক খুব শুষ্ক লাগলে দিনের বেলায় আরেকবার অল্প করে লাগানো যায়। প্রশ্ন: তৈলাক্ত ত্বকেও কি ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে?উত্তর: হ্যাঁ, তৈলাক্ত ত্বকেও আর্দ্রতা দরকার হয়। তৈলাক্ত ত্বকে হালকা জেল ধরনের ময়েশ্চারাইজার অল্প করে লাগান, এতে মুখ ভারী লাগে না। প্রশ্ন: মেকআপের আগে কি ময়েশ্চারাইজার লাগানো যাবে?উত্তর: হ্যাঁ, মেকআপের আগে ময়েশ্চারাইজার লাগানো যায়। ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন, ত্বকে বসে গেলে তারপর মেকআপ লাগান, এতে মেকআপ ভালোভাবে বসে। প্রশ্ন: শীতে কি ময়েশ্চারাইজার বেশি লাগাতে হবে?উত্তর: শীতে ত্বক বেশি শুষ্ক হয়, তাই শীতে একটু ঘন ক্রিম ব্যবহার করা যায়। তবে পরিমাণ একবারে বেশি না নিয়ে অল্প করে লাগিয়ে দেখুন, ত্বক কেমন লাগছে, তারপর পরিমাণ ঠিক করুন।

মেকআপ ব্রাশ পরিষ্কার করার নিয়ম মেনে ব্রাশ পরিষ্কার করছেন একজন নারী
বিউটি টিপস

মেকআপ ব্রাশ পরিষ্কার করার নিয়ম: ব্রাশ নরম আর মেকআপ পরিষ্কার রাখার সহজ গাইড

মেকআপ ব্রাশ পরিষ্কার করার নিয়ম হলো ব্রাশের লোম কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে হালকা সাবান দিয়ে আলতো করে ধুয়ে নেওয়া, তারপর পানি ঝরিয়ে সমতলে শুকাতে দেওয়া। লিকুইড বা ক্রিম প্রোডাক্ট লাগানো ব্রাশ সপ্তাহে একবার ধুয়ে নিলে ব্রাশে মেকআপ জমে থাকে না, আর মেকআপ মুখে পরিষ্কারভাবে বসে। ব্রাশে দিনের পর দিন ফাউন্ডেশন, পাউডার, তেল আর ধুলো জমতে থাকে। নোংরা ব্রাশ দিয়ে মেকআপ লাগালে মেকআপ দাগ দাগ দেখাতে পারে, আর ব্রাশের লোম শক্ত হয়ে যেতে পারে। এই লেখায় কতদিন পরপর ধুবেন, কী দিয়ে ধুবেন, কোন ধাপে কী করবেন, আর কোন ভুলগুলো এড়াবেন, তা ধাপে ধাপে দেওয়া আছে। মুখ থেকে মেকআপ তোলার নিয়ম আলাদা, সেটা জানতে চাইলে মেকআপ তোলার নিয়ম লেখাটি পড়তে পারেন। যা লাগবে আপনার যা লাগবে তা হলো একটি হালকা সাবান বা হালকা শ্যাম্পু, কুসুম গরম পানি, একটি পরিষ্কার তোয়ালে আর ব্রাশ শুকানোর জন্য একটি পরিষ্কার সমতল জায়গা। কড়া সাবান, গরম পানি আর হেয়ার ড্রায়ার লাগবে না। নতুন কোনো ক্লিনজার দিয়ে ব্রাশ ধোয়ার আগে ব্রাশের লোমের উপর অল্প করে লাগিয়ে দেখে নিন, লোম শক্ত বা রুক্ষ লাগলে সেই ক্লিনজার ব্যবহার করবেন না। ধাপে ধাপে মেকআপ ব্রাশ পরিষ্কার করার নিয়ম ১. ব্রাশগুলো আলাদা করে নিন। প্রথমে কোন ব্রাশে লিকুইড বা ক্রিম লেগেছে, আর কোনটায় শুধু পাউডার লেগেছে, তা আলাদা করে নিন। লিকুইড ব্রাশ আগে ধুবেন, কারণ এগুলোতে মেকআপ বেশি জমে থাকে। ব্রাশ ধোয়ার আগে হাত পরিষ্কার করে নিন। ২. শুধু লোম ভিজিয়ে নিন। ব্রাশের লোম নিচের দিকে ধরে কুসুম গরম পানির নিচে ভিজিয়ে নিন। পুরো ব্রাশ পানিতে ডুবাবেন না, আর হ্যান্ডেল বা ধাতুর অংশ ভেজাবেন না, কারণ ভেতরে পানি ঢুকলে আঠা নরম হয়ে লোম ঝরতে পারে। ৩. হালকা সাবান দিয়ে আলতো করে ঘষুন। হাতের তালুতে অল্প হালকা সাবান বা হালকা শ্যাম্পু নিন। ভেজা ব্রাশের লোম হাতের তালুতে ছোট ছোট বৃত্তের মতো করে আলতো করে ঘোরান। জোরে চাপ দেবেন না, আর লোম টেনে ধরবেন না। মেকআপ বেশি জমে থাকলে একবার ধুয়ে আবার অল্প সাবান নিয়ে ঘষুন। ৪. পানি পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত ধুয়ে নিন। ব্রাশের লোম নিচের দিকে ধরে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুতে থাকুন, যতক্ষণ না পানি পুরোপুরি পরিষ্কার দেখায় আর সাবানের ফেনা না থাকে। সাবান লোমে থেকে গেলে ব্রাশ শক্ত লাগতে পারে, তাই এই ধাপ তাড়াহুড়ো করে শেষ করবেন না। ৫. পানি ঝরিয়ে লোমের আকৃতি ঠিক করে নিন। ধোয়া শেষ হলে আঙুল দিয়ে আলতো করে চেপে বাড়তি পানি বের করে দিন, জোরে মোচড়াবেন না। তারপর আঙুল দিয়ে লোম আগের আকৃতিতে সাজিয়ে নিন, যাতে শুকানোর পর ব্রাশের আকৃতি ঠিক থাকে। ৬. সমতলে শুকাতে দিন। পরিষ্কার তোয়ালের উপর ব্রাশ সমতলে রেখে দিন, লোম টেবিলের কিনারার বাইরে থাকলে বাতাস ভালোভাবে লাগে। ভেজা ব্রাশ খাড়া করে কাপে রাখবেন না, কারণ তাতে পানি হ্যান্ডেলের দিকে নেমে যেতে পারে। ব্রাশ পুরোপুরি শুকাতে কয়েক ঘণ্টা লাগতে পারে, ঘন ব্রাশ হলে সারা রাত লাগতে পারে। পুরোপুরি শুকানোর আগে ব্রাশ ব্যবহার করবেন না, আর বন্ধ ব্যাগে ভেজা ব্রাশ রাখবেন না। ৭. শুকিয়ে গেলে পরীক্ষা করে তুলে রাখুন। ব্রাশ পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে লোমে হাত বুলিয়ে দেখুন, নরম লাগলে আর কোনো গন্ধ না থাকলে ব্রাশ তৈরি। তারপর ব্রাশ পরিষ্কার জায়গায়, ধুলো থেকে দূরে রাখুন। পরের বার মেকআপ লাগানোর আগে ব্রাশে হালকা করে হাত বুলিয়ে নিলে বাড়তি লোম থাকলে বোঝা যায়। মেকআপ ব্রাশ পরিষ্কার করার জন্য প্রোডাক্ট সাজেশন কেনার আগে প্রোডাক্ট পেজে বর্তমান দাম আর স্টক দেখে নিন, কারণ দাম আর স্টক সময়ের সাথে বদলাতে পারে। প্রোডাক্ট ব্যবহার বিধি অর্ডার করুন ব্রাশ ধোয়ার জন্য: Cetaphil Gentle Skin Cleanser 125ml হাতের তালুতে অল্প নিয়ে ব্রাশের লোম আলতো করে ধুয়ে নিন। অর্ডার করুন ব্রাশ ধোয়ার জন্য: Dot & Key Barrier Repair Gentle Hydrating Face Wash 100ml হাতের তালুতে অল্প ফেসওয়াশ নিয়ে ব্রাশের লোম আলতো করে ধুয়ে নিন। অর্ডার করুন ব্রাশ ধোয়ার জন্য: CareNel Cicavita B5 Salicylic Acid Gentle Cleanser 150ml হাতের তালুতে অল্প নিয়ে ব্রাশের লোম আলতো করে ধুয়ে নিন। অর্ডার করুন ব্রাশ ধোয়ার জন্য: Cosrx Salicylic Acid Daily Gentle Cleanser 150ml হাতের তালুতে অল্প নিয়ে ব্রাশের লোম আলতো করে ধুয়ে নিন। অর্ডার করুন ব্রাশ ধোয়ার জন্য আরো হালকা ক্লিনজার দেখতে চাইলে Well Care Shop এর ফেসওয়াশ ও ক্লিনজার ক্যাটাগরি দেখতে পারেন, তবে ক্যাটাগরি লিংকটি ব্যবহারের আগে লাইভে যাচাই করে নিন। সাধারণ ভুল যা এড়িয়ে চলবেন সবচেয়ে বড় ভুল হলো পুরো ব্রাশ পানিতে ডুবিয়ে রাখা। এতে পানি হ্যান্ডেলের ভেতরে ঢুকে আঠা নরম করে দিতে পারে, আর লোম ঝরতে শুরু করতে পারে। গরম পানি দিয়ে ধোয়া, কড়া সাবান ব্যবহার করা, লোম জোরে ঘষা আর মোচড় দিয়ে পানি বের করাও ভুল। ভেজা ব্রাশ খাড়া করে রাখা, হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে শুকানো, আর আধা শুকনো ব্রাশ দিয়ে মেকআপ লাগানোও ঠিক নয়। আরেকটি ভুল হলো সপ্তাহের পর সপ্তাহ ব্রাশ না ধোয়া, এতে মেকআপ জমে ব্রাশ শক্ত হয়ে যায় আর মেকআপ মুখে ভালোভাবে বসে না। সারসংক্ষেপ মেকআপ ব্রাশ পরিষ্কার করার নিয়ম সহজ: সপ্তাহে একবার লিকুইড ব্রাশ ধুয়ে নিন, শুধু লোম কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে হালকা সাবান দিয়ে আলতো করে ধুয়ে পানি পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত ধুতে থাকুন, তারপর পানি ঝরিয়ে সমতলে পুরোপুরি শুকাতে দিন। পুরো ব্রাশ ডুবাবেন না, গরম পানি আর হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করবেন না, আর ভেজা ব্রাশ ব্যবহার করবেন না। এই লেখা সাধারণ যত্নের গাইড, এটা চিকিৎসার পরামর্শ নয়। এই লেখায় কোনো স্থায়ী দামের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি, আর কোনো প্রোডাক্ট ত্বকের রং স্থায়ীভাবে বদলে দেবে বা দাগ পুরোপুরি সারিয়ে দেবে, এমন দাবি করা হয়নি। সচরাচর জিজ্ঞাসা প্রশ্ন: কতদিন পরপর মেকআপ ব্রাশ ধোব?উত্তর: ফাউন্ডেশন বা কনসিলার ব্রাশের মতো লিকুইড ব্রাশ সপ্তাহে একবার ধুয়ে নিন। শুধু পাউডার লাগানো ব্রাশ কম ব্যবহার হলে দুই সপ্তাহ পরপর ধুলেও চলে, তবে ব্রাশ দেখতে নোংরা লাগলে আগেই ধুয়ে নিন। প্রশ্ন: শ্যাম্পু দিয়ে কি মেকআপ ব্রাশ ধোয়া যাবে?উত্তর: হ্যাঁ, হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ব্রাশ ধোয়া যায়। হাতের তালুতে অল্প শ্যাম্পু নিয়ে লোম আলতো করে ধুয়ে পানি পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত ধুয়ে নিন। কড়া শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না। প্রশ্ন: মেকআপ স্পঞ্জও কি একই নিয়মে ধোয়া যাবে?উত্তর: হ্যাঁ, স্পঞ্জও হালকা সাবান আর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নেওয়া যায়। স্পঞ্জ আলতো করে চেপে পানি বের করে সমতলে পুরোপুরি শুকাতে দিন, ভেজা স্পঞ্জ বন্ধ ব্যাগে রাখবেন না। প্রশ্ন: ভেজা ব্রাশ দিয়ে কি মেকআপ লাগানো যাবে?উত্তর: না, ভেজা ব্রাশ দিয়ে মেকআপ লাগাবেন না। ভেজা ব্রাশে মেকআপ ভালোভাবে বসে না, আর ব্রাশের ভেতরে ভেজা ভাব থেকে গেলে ব্রাশের ক্ষতি হতে পারে। পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে তবেই ব্যবহার করুন। প্রশ্ন: ব্রাশ কখন বদলে ফেলব?উত্তর: লোম বারবার ঝরতে থাকলে, লোমের আকৃতি নষ্ট হয়ে গেলে, বা ধোয়ার পরও ব্রাশ থেকে পুরনো মেকআপের গন্ধ না গেলে ব্রাশ

টোনার ব্যবহারের নিয়মে কটন প্যাড দিয়ে মুখে টোনার লাগাচ্ছেন একজন নারী
ত্বকের যত্ন

টোনার ব্যবহারের নিয়ম: মুখ ধোয়ার পর সঠিক ধাপে ধাপে গাইড

টোনার ব্যবহারের নিয়ম হলো মুখ ধোয়ার পর, সিরাম আর ময়েশ্চারাইজার লাগানোর আগে টোনার লাগানো। মুখ হালকা ভেজা থাকতে টোনার লাগান, এক মিনিট শুষে যেতে দিন, তারপর সিরাম আর ময়েশ্চারাইজার লাগান। আগের দিনের কড়া টোনারের সাথে আজকের টোনারকে গুলিয়ে ফেলবেন না। আগের টোনারগুলোতে অনেক সময় অ্যালকোহল থাকত, যা ত্বক শুষ্ক করে দিত। এখনকার বেশিরভাগ টোনার ত্বক পরিষ্কার করার পর আর্দ্রতা দেওয়া আর পরের প্রোডাক্ট শুষে নিতে সাহায্য করার জন্য বানানো হয়। তাই টোনার মেকআপ তোলার জিনিস নয়, আর ফেসওয়াশের বদলেও নয়। এই লেখায় টোনার কোথায় বসে, হাতে না কটন প্যাডে লাগাবেন, কতটুকু লাগাবেন আর কোন ভুল এড়াবেন, তা ধাপে ধাপে দেওয়া আছে। যা লাগবে আপনার যা লাগবে তা হলো একটি হালকা ফেসওয়াশ, একটি টোনার, একটি পরিষ্কার নরম তোয়ালে আর নতুন কটন প্যাড, যদি আপনি কটন প্যাডে লাগাতে চান। হাতে লাগালে কটন প্যাড লাগবে না। টোনারের পর লাগানোর জন্য একটি ময়েশ্চারাইজার হাতের কাছে রাখুন। নতুন টোনার শুরু করলে প্রথমে চোয়ালের পাশে অল্প করে লাগিয়ে পরীক্ষা করে নিন। ধাপে ধাপে টোনার ব্যবহারের নিয়ম ১. প্রথমে মুখ ধুয়ে নিন। হালকা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন, খুব গরম পানি ব্যবহার করবেন না। ধোয়ার পর নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে চেপে পানি মুছে নিন, তবে মুখ একেবারে শুকনো করে ফেলবেন না। টোনার হালকা ভেজা ত্বকে ভালোভাবে বসে। উপযুক্ত ফেসওয়াশ বাছতে Well Care Shop এর ফেসওয়াশ ও ক্লিনজার ক্যাটাগরি দেখতে পারেন। ২. হাত ধুয়ে নিন আর টোনারের পরিমাণ ঠিক করুন। হাতে লাগালে ৩ থেকে ৫ ফোঁটা টোনার হাতের তালুতে নিন। কটন প্যাডে লাগালে প্যাডটি হালকা ভিজিয়ে নিন, চুইয়ে পড়া পর্যন্ত ভেজাবেন না। একবারে বেশি টোনার নিলে কাজ বেশি হবে না, বরং ত্বক ভেজা ভেজা লাগতে পারে। ৩. টোনার লাগান। হাতে লাগালে দুই হাতের তালুতে টোনার নিয়ে মুখ আর ঘাড়ে আলতো করে চেপে চেপে লাগান, জোরে ঘষবেন না। কটন প্যাডে লাগালে প্যাডটি মুখে আলতো করে বুলিয়ে নিন, চোখের চারপাশ এড়িয়ে চলুন। হাতের পদ্ধতিতে প্রোডাক্ট কম নষ্ট হয় আর আর্দ্রতা দেওয়ার টোনারের জন্য এটা ভালো। কটন প্যাডের পদ্ধতিতে মুখ ধোয়ার পর থেকে যাওয়া হালকা ময়লা তুলতে সুবিধা হয়। ৪. এক মিনিট শুষে যেতে দিন। টোনার লাগানোর পরপরই সিরাম বা ময়েশ্চারাইজার লাগাবেন না। প্রায় এক মিনিট অপেক্ষা করুন, যাতে টোনার ত্বকে বসে যায়। ত্বক তখনো হালকা ভেজা থাকতেই পরের ধাপে যান, একেবারে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না। ৫. তারপর সিরাম থাকলে সিরাম, আর সবশেষে ময়েশ্চারাইজার লাগান। টোনারের কাজ হলো ত্বককে পরের প্রোডাক্টের জন্য তৈরি করা, তাই টোনারের পর ময়েশ্চারাইজার বাদ দেবেন না। উপযুক্ত ময়েশ্চারাইজার বাছতে Well Care Shop এর ময়েশ্চারাইজার ক্যাটাগরি দেখতে পারেন। সকালে রুটিনের শেষে সানস্ক্রিন লাগাতে ভুলবেন না। সকালের পুরো রুটিন জানতে চাইলে সকালের স্কিনকেয়ার রুটিন লেখাটি পড়তে পারেন। ৬. নতুন টোনার ধীরে ধীরে শুরু করুন। প্রথমে দিনে একবার লাগিয়ে দেখুন। ত্বক স্বস্তি পেলে প্যাকেটের নির্দেশনা অনুযায়ী দিনে দুইবার লাগাতে পারেন। এক্সফোলিয়েটিং টোনার হলে, যাতে অ্যাসিড থাকে, সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার দিয়ে শুরু করুন, প্রতিদিন দিয়ে শুরু করবেন না। একসাথে অনেক নতুন প্রোডাক্ট শুরু করবেন না, কারণ কোনটায় সমস্যা হলো তা তখন বোঝা যাবে না। টোনার ব্যবহারের নিয়মের জন্য প্রোডাক্ট সাজেশন কেনার আগে প্রোডাক্ট পেজে বর্তমান দাম আর স্টক দেখে নিন, কারণ দাম আর স্টক সময়ের সাথে বদলাতে পারে। প্রোডাক্ট ব্যবহার বিধি অর্ডার করুন ত্বক সতেজ রাখতে টোনার Plum Rice Water & 3% Niacinamide Toner 150ml – Brightening Glow মুখ ধুয়ে নিন। কয়েক ফোঁটা টোনার পরিষ্কার হাতে বা নরম কটন প্যাডে নিয়ে মুখ আর ঘাড়ে আলতো করে চেপে লাগান। ত্বক হালকা ভেজা থাকতেই সিরাম আর ময়েশ্চারাইজার লাগান। প্রথমে চোয়ালের পাশে ২৪ ঘণ্টা পরীক্ষা করে নিন। অর্ডার করুন ত্বক শান্ত রাখতে টোনার Enjoy Skin Ceramide Soothing Toner 80ml – Barrier Repair & Hydration হালকা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে আধা শুকনো করে নিন। ৩ থেকে ৪ ফোঁটা টোনার পরিষ্কার হাতে বা কটন প্যাডে নিয়ে মুখ আর ঘাড়ে আলতো করে চেপে লাগান। ত্বক হালকা ভেজা থাকতেই সিরাম আর ময়েশ্চারাইজার লাগান। প্রথমে চোয়ালের পাশে ২৪ ঘণ্টা পরীক্ষা করে নিন। অর্ডার করুন টোনারের আরো অপশন দেখতে চাইলে Well Care Shop এর টোনার ক্যাটাগরি দেখতে পারেন। সাধারণ ভুল যা এড়িয়ে চলবেন সবচেয়ে বড় ভুল হলো টোনার দিয়ে মুখ ধোয়ার কাজ সারতে চাওয়া। টোনার ফেসওয়াশ নয়, তাই মুখ না ধুয়ে টোনার লাগালে ময়লা ত্বকেই থেকে যায়। আরেকটি ভুল হলো টোনারের পর ময়েশ্চারাইজার বাদ দেওয়া, এতে ত্বক টানটান লাগতে পারে। চোখের চারপাশে টোনার ঘষা, কটন প্যাড দিয়ে জোরে ঘষা আর এক্সফোলিয়েটিং টোনার প্রতিদিন দিয়ে শুরু করাও ভুল। অ্যালকোহলযুক্ত কড়া টোনার প্রতিদিন লাগালে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে, তাই টোনার কেনার আগে উপাদানের তালিকা দেখে নিন। জ্বালা, লালচে ভাব বা র‍্যাশ হলে ব্যবহার বন্ধ করুন। সারসংক্ষেপ টোনার ব্যবহারের নিয়ম সহজ: মুখ ধুয়ে নিন, হালকা ভেজা ত্বকে হাতে বা কটন প্যাডে টোনার লাগান, এক মিনিট শুষে যেতে দিন, তারপর সিরাম আর ময়েশ্চারাইজার লাগান। নতুন টোনার ধীরে ধীরে শুরু করুন আর প্রথমে চোয়ালের পাশে পরীক্ষা করে নিন। জ্বালা বা র‍্যাশ থাকলে ব্যবহার বন্ধ করুন আর সমস্যা না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এই লেখায় কোনো স্থায়ী দামের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি, আর কোনো টোনার কোনো রোগ সারিয়ে দেবে বা ত্বকের রং স্থায়ীভাবে বদলে দেবে, এমন দাবি করা হয়নি। সচরাচর জিজ্ঞাসা প্রশ্ন: টোনার কি প্রতিদিন লাগাতে হবে?উত্তর: হালকা আর্দ্রতা দেওয়ার টোনার দিনে একবার বা দুইবার লাগানো যায়। এক্সফোলিয়েটিং টোনার হলে সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার দিয়ে শুরু করুন। প্রশ্ন: টোনার হাতে লাগানো ভালো, না কটন প্যাডে?উত্তর: আর্দ্রতা দেওয়ার টোনার হাতে চেপে লাগালে প্রোডাক্ট কম নষ্ট হয়। মুখ ধোয়ার পর হালকা ময়লা তুলতে চাইলে কটন প্যাড সুবিধাজনক। প্রশ্ন: টোনারের পর কি ময়েশ্চারাইজার লাগাতেই হবে?উত্তর: হ্যাঁ, টোনারের পর ময়েশ্চারাইজার লাগান, যাতে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে থাকে। টোনার ময়েশ্চারাইজারের বদলে নয়। প্রশ্ন: নতুন টোনারে জ্বালা করলে কী করব?উত্তর: ব্যবহার বন্ধ করুন। জ্বালা, লালচে ভাব বা র‍্যাশ না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, নিজে নতুন প্রোডাক্ট পরীক্ষা চালিয়ে যাবেন না।

মেকআপ তোলার নিয়মে মুখ ধুচ্ছেন একজন নারী
বিউটি টিপস

মেকআপ তোলার নিয়ম: ঘুমানোর আগে মুখ পরিষ্কার করার সহজ গাইড

মেকআপ তোলার নিয়ম হলো ঘুমানোর আগে প্রথমে চোখ আর ঠোঁটের মেকআপ তুলে ফেলা, তারপর হালকা ফেসওয়াশ দিয়ে পুরো মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগানো। মেকআপ নিয়ে ঘুমানো ঠিক নয়, কারণ রাতে মেকআপ মুখে থাকলে ত্বক ভারী লাগে আর লোমকূপ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সারাদিনের মেকআপ, ধুলো আর ঘাম মুখে জমে থাকে। রাতে ঘুমের সময় ত্বক বিশ্রাম পায়, তাই ঘুমানোর আগে মুখ পরিষ্কার রাখা খুব জরুরি। এই লেখায় কী লাগবে, কোন ধাপে কী করবেন, কোন ভুলগুলো এড়াবেন, তা ধাপে ধাপে দেওয়া আছে। নতুন কোনো মেকআপ রিমুভার শুরু করলে প্রথমে ছোট জায়গায় পরীক্ষা করে নিন, লালচে ভাব বা জ্বালা হলে সেই প্রোডাক্ট ব্যবহার করবেন না। যা লাগবে আপনার যা লাগবে তা হলো একটি মেকআপ রিমুভার বা মাইসেলার ওয়াটার, কয়েকটি নরম কটন প্যাড, একটি হালকা ফেসওয়াশ, একটি নরম তোয়ালে আর একটি হালকা ময়েশ্চারাইজার। চোখের মেকআপ ভারী হলে চোখের জন্য আলাদা রিমুভার ব্যবহার করা ভালো। তুলো বা টিস্যু দিয়ে ঘষাঘষি করবেন না, নরম কটন প্যাড ব্যবহার করুন। ধাপে ধাপে মেকআপ তোলার নিয়ম ১. হাত ধুয়ে নিন। মেকআপ তোলার আগে হাত পরিষ্কার পানি আর সাবান দিয়ে ধুয়ে নিন, যাতে হাতের ময়লা মুখে না লাগে। ২. চোখের মেকআপ আগে তুলুন। কটন প্যাডে রিমুভার নিয়ে চোখের উপর কয়েক সেকেন্ড ধরে রাখুন, তারপর আলতো করে নিচের দিকে মুছে নিন। চোখ জোরে ঘষবেন না, কারণ চোখের চারপাশের ত্বক খুব পাতলা। মাসকারা বা কাজল পুরোপুরি না উঠলে আরেকটি পরিষ্কার প্যাড দিয়ে আবার আলতো করে মুছুন। ৩. ঠোঁটের মেকআপ তুলুন। লিপস্টিক তোলার জন্য কটন প্যাডে রিমুভার নিয়ে ঠোঁট আলতো করে মুছে নিন। ঠোঁট শুষ্ক মনে হলে পরে লিপ বাম লাগাতে পারেন। শীতে ঠোঁটের যত্নের নিয়ম জানতে চাইলে শীতে ঠোঁটের যত্ন লেখাটি পড়তে পারেন। ৪. পুরো মুখের মেকআপ তুলুন। কটন প্যাডে রিমুভার নিয়ে কপাল, দুই গাল, নাক আর থুতনি আলতো করে মুছে নিন। ফাউন্ডেশন বা পাউডার ভারী হলে প্যাড বদলে আবার মুছুন, যাতে মুখে রঙের দাগ না থাকে। চুলের গোড়ার কাছে আর কানের পাশে মেকআপ লেগে আছে কি না দেখে নিন। ৫. হালকা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। রিমুভার দিয়ে মোছার পর হালকা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন, যাতে রিমুভার আর মেকআপের শেষ অংশটুকুও উঠে যায়। শুধু রিমুভার দিয়ে মোছা যথেষ্ট নয়, এই ধোয়ার ধাপটা বাদ দেবেন না। মুখ ধোয়ার সঠিক নিয়ম জানতে চাইলে ব্রণপ্রবণ ত্বকে মুখ ধোয়ার নিয়ম লেখাটি পড়তে পারেন। ৬. মুখ আলতো করে মুছে ময়েশ্চারাইজার লাগান। নরম তোয়ালে দিয়ে মুখ চেপে চেপে শুকিয়ে নিন, ঘষে শুকাবেন না। তারপর মুখ হালকা ভেজা থাকতেই হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগান। রাতে এই ধাপের পর নাইট ক্রিম লাগাতে চাইলে নাইট ক্রিম ব্যবহারের নিয়ম লেখাটি পড়তে পারেন। ৭. সকালে আবার মুখ ধুয়ে নিন। রাতে মেকআপ তুলে ঘুমালেও সকালে হালকা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে দিনের রুটিন শুরু করুন। সকালের পুরো রুটিন জানতে চাইলে সকালের স্কিনকেয়ার রুটিন লেখাটি পড়তে পারেন। মেকআপ তোলার নিয়ম মেনে প্রোডাক্ট সাজেশন কেনার আগে প্রোডাক্ট পেজে বর্তমান দাম আর স্টক দেখে নিন, কারণ দাম আর স্টক সময়ের সাথে বদলাতে পারে। প্রোডাক্ট ব্যবহার বিধি অর্ডার করুন মেকআপ তোলার জন্য: Garnier Skin Active Micellar Cleansing Water 100ml – Makeup Remover কটন প্যাডে নিয়ে চোখের উপর কয়েক সেকেন্ড ধরে রাখুন, তারপর মুখ আর ঠোঁট আলতো করে মুছে নিন। অর্ডার করুন মুখ ধোয়ার জন্য: The Face Shop Rice Water Bright Foaming Cleanser 100ml রিমুভার দিয়ে মোছার পর ভেজা মুখে অল্প ফোম লাগিয়ে আলতো করে ম্যাসাজ করে ধুয়ে নিন। অর্ডার করুন ময়েশ্চারাইজারের জন্য: The Face Shop Rice & Ceramide Moisturizing Cream (50ml) মুখ ধোয়ার পর মুখে সমানভাবে লাগিয়ে আলতো করে চাপ দিয়ে বসিয়ে নিন। অর্ডার করুন সাধারণ ভুল যা এড়িয়ে চলবেন সবচেয়ে বড় ভুল হলো মেকআপ নিয়ে ঘুমিয়ে পড়া। এতে ত্বক ভারী লাগে আর সকালে ত্বক দেখতে ক্লান্ত লাগতে পারে। শুধু ফেসওয়াশ দিয়ে ভারী মেকআপ তোলার চেষ্টা করাও ভুল, কারণ ভারী মেকআপ একবারে ফেসওয়াশে পুরোপুরি নাও উঠতে পারে। চোখ জোরে ঘষা, একই ময়লা কটন প্যাড বারবার ব্যবহার করা, মুখ ধোয়ার ধাপ বাদ দেওয়া আর মেকআপ তোলার পর ময়েশ্চারাইজার না লাগানো, এই ভুলগুলোও এড়িয়ে চলুন। নতুন রিমুভার প্রথম দিনেই চোখসহ পুরো মুখে লাগানোও ঠিক নয়, আগে ছোট জায়গায় পরীক্ষা করে নিন। সারসংক্ষেপ মেকআপ তোলার নিয়ম সহজ: ঘুমানোর আগে চোখ আর ঠোঁটের মেকআপ আলতো করে তুলুন, পুরো মুখ মুছে নিন, হালকা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে ময়েশ্চারাইজার লাগান। চোখ জোরে ঘষবেন না, ধোয়ার ধাপ বাদ দেবেন না আর নতুন রিমুভার শুরু করলে প্রথমে ছোট জায়গায় পরীক্ষা করুন। জ্বালা বা লালচে ভাব থাকলে ব্যবহার বন্ধ করুন। এই লেখা সাধারণ যত্নের গাইড, এটা চিকিৎসার পরামর্শ নয়। এই লেখায় কোনো স্থায়ী দামের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি, আর কোনো প্রোডাক্ট ত্বকের রং স্থায়ীভাবে বদলে দেবে বা দাগ পুরোপুরি সারিয়ে দেবে, এমন দাবি করা হয়নি। সচরাচর জিজ্ঞাসা প্রশ্ন: প্রতিদিন মেকআপ তুলতেই হবে কি?উত্তর: হ্যাঁ, যেদিন মেকআপ লাগাবেন সেদিন রাতেই তুলে ফেলুন। মেকআপ নিয়ে ঘুমানো ত্বকের জন্য ভালো নয়। প্রশ্ন: শুধু ফেসওয়াশ দিয়েই কি মেকআপ তোলা যাবে?উত্তর: হালকা মেকআপ হয়তো ফেসওয়াশে উঠে যাবে, তবে ভারী মেকআপের জন্য প্রথমে রিমুভার দিয়ে মোছা ভালো, তারপর ফেসওয়াশ দিয়ে ধুয়ে নিন। প্রশ্ন: চোখের মেকআপ তুলতে গেলে জ্বালা করে কেন?উত্তর: চোখের চারপাশের ত্বক পাতলা, তাই জোরে ঘষলে জ্বালা করতে পারে। প্যাড কয়েক সেকেন্ড ধরে রেখে আলতো করে মুছুন, আর জ্বালা থাকলে সেই রিমুভার ব্যবহার বন্ধ করুন। প্রশ্ন: মেকআপ না তুলে ঘুমালে কী হয়?উত্তর: মেকআপ, ধুলো আর ঘাম মুখে জমে থাকে, ত্বক ভারী লাগে আর সকালে ত্বক দেখতে ক্লান্ত লাগতে পারে। তাই ঘুমানোর আগেই মুখ পরিষ্কার করে নিন। প্রশ্ন: মেকআপ তোলার পর ময়েশ্চারাইজার কি লাগাতেই হবে?উত্তর: হ্যাঁ, মুখ ধোয়ার পর ত্বক শুষ্ক লাগতে পারে, তাই হালকা ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিলে ত্বক নরম আর আরামদায়ক থাকে।

সকালের স্কিনকেয়ার রুটিনে মুখে ক্রিম লাগাচ্ছেন একজন নারী
ত্বকের যত্ন

সকালের স্কিনকেয়ার রুটিন: নতুনদের জন্য ৪ ধাপের সহজ গাইড

সকালের স্কিনকেয়ার রুটিন হলো দিনের শুরুতে ত্বক পরিষ্কার করে আর্দ্র রাখা আর রোদ থেকে সুরক্ষা দেওয়া। নতুনদের জন্য মাত্র চারটি ধাপই যথেষ্ট: মুখ ধোয়া, সিরাম (ঐচ্ছিক), ময়েশ্চারাইজার আর সানস্ক্রিন। সকালের রুটিনের কাজ রাতের রুটিনের মতো নয়। রাতে ত্বক পরিষ্কার করে বিশ্রাম দেওয়াই মূল কাজ। সকালে মূল কাজ হলো ত্বককে সারাদিনের রোদ, ধুলা আর ঘামের জন্য তৈরি করা। তাই সকালে অনেক প্রোডাক্ট লাগানোর দরকার নেই। হালকা আর নিয়মিত রুটিনই ভালো কাজ করে। যা লাগবে আপনার যা লাগবে তা হলো একটি হালকা ফেসওয়াশ, একটি ময়েশ্চারাইজার আর একটি ব্রড স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন। সিরাম থাকলে সেটা যোগ করতে পারেন, তবে এটা বাধ্যতামূলক নয়। তোয়ালে পরিষ্কার রাখুন আর মুখে হাত দেওয়ার আগে হাত ধুয়ে নিন। ধাপে ধাপে সকালের স্কিনকেয়ার রুটিন ১. হালকা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। হালকা গরম পানি ব্যবহার করুন, খুব গরম পানি ত্বক শুষ্ক করে দিতে পারে। আঙুলের ডগা দিয়ে আলতো করে ধুয়ে নিন, জোরে ঘষবেন না। ধোয়ার পর নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো করে চেপে পানি মুছে নিন, ঘষে মুছবেন না। আপনার ত্বক খুব শুষ্ক হলে আর রাতে ভারী কিছু না লাগিয়ে থাকলে শুধু পানি দিয়ে ধোয়াও অনেকের জন্য যথেষ্ট হতে পারে। তবে তৈলাক্ত ভাব থাকলে হালকা ফেসওয়াশ ব্যবহার করাই ভালো। উপযুক্ত ফেসওয়াশ বাছতে Well Care Shop এর ফেসওয়াশ ও ক্লিনজার ক্যাটাগরি দেখতে পারেন। ২. সিরাম লাগান, যদি আপনি সিরাম ব্যবহার করেন। সিরাম পাতলা হয়, তাই এটা ময়েশ্চারাইজারের আগে লাগাতে হয়। সকালে অনেকেই ভিটামিন সি সিরাম ব্যবহার করেন। এটা সানস্ক্রিনের বদলে নয়, সানস্ক্রিনের সাথে ব্যবহারের জন্য। নতুন হলে একবারে একটাই নতুন প্রোডাক্ট শুরু করুন। প্রথমে কানের পাশে বা চোয়ালের পাশে অল্প করে লাগিয়ে প্যাচ টেস্ট করে নিন। ৩. ময়েশ্চারাইজার লাগান। মুখ ধোয়ার পর ত্বক সামান্য ভেজা থাকতেই ময়েশ্চারাইজার লাগালে ভালো লাগে। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য হালকা জেল বা লোশন ভালো হতে পারে। শুষ্ক ত্বকের জন্য একটু ঘন ক্রিম ভালো লাগতে পারে। তৈলাক্ত ত্বকেও ময়েশ্চারাইজার বাদ দেবেন না, কারণ আর্দ্রতা ছাড়া ত্বক আরো অস্বস্তি করতে পারে। উপযুক্ত ময়েশ্চারাইজার বাছতে Well Care Shop এর ময়েশ্চারাইজার ক্যাটাগরি দেখতে পারেন। ৪. সবার শেষে সানস্ক্রিন লাগান। সকালে এটা সবচেয়ে জরুরি ধাপ। ব্রড স্পেকট্রাম সানস্ক্রিন বেছে নিন, যার SPF ৩০ বা তার বেশি হয়। মুখ, ঘাড় আর কাপড়ে ঢাকা থাকে না এমন জায়গায় লাগান। মেকআপ করলে সানস্ক্রিন শুকিয়ে যাওয়ার পর মেকআপ লাগান। ঘরে থাকলেও দিনের বেলায় সানস্ক্রিন লাগানো ভালো অভ্যাস, কারণ জানালা দিয়ে আসা রোদও ত্বকে লাগতে পারে। অনেকক্ষণ রোদে থাকলে প্যাকেটের নির্দেশনা অনুযায়ী আবার লাগান। সাধারণ ভুল যা এড়িয়ে চলবেন সবচেয়ে বড় ভুল হলো সানস্ক্রিন বাদ দেওয়া। দামি সিরাম লাগিয়েও সানস্ক্রিন না লাগালে সকালের রুটিন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। আরেকটি ভুল হলো একসাথে অনেক নতুন প্রোডাক্ট শুরু করা। এতে কোনটায় সমস্যা হলো তা বোঝা যায় না। মুখ জোরে ঘষে ধোয়া, খুব গরম পানি ব্যবহার করা আর তৈলাক্ত ত্বক বলে ময়েশ্চারাইজার বাদ দেওয়াও ভুল। সানস্ক্রিন খুব কম করে লাগালেও সুরক্ষা কমে যেতে পারে, তাই পরিমাণে কার্পণ্য করবেন না। সারসংক্ষেপ সকালের স্কিনকেয়ার রুটিন সহজ রাখুন। মুখ ধুয়ে নিন, চাইলে সিরাম লাগান, ময়েশ্চারাইজার লাগান আর সবার শেষে সানস্ক্রিন লাগান। এই চারটি ধাপ নিয়মিত করলেই সকালের যত্ন সম্পূর্ণ হয়। নতুন প্রোডাক্ট শুরু করার সময় প্যাচ টেস্ট করুন। জ্বালা, লালচে ভাব বা র‍্যাশ থাকলে ব্যবহার বন্ধ করুন আর সমস্যা না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সচরাচর জিজ্ঞাসা প্রশ্ন: সকালে কি ফেসওয়াশ দিতেই হবে? উত্তর: ত্বক তৈলাক্ত বা ঘামে ভেজা মনে হলে হালকা ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন। খুব শুষ্ক ত্বকে শুধু পানি দিয়ে ধোয়াও অনেকের জন্য যথেষ্ট হতে পারে। প্রশ্ন: ঘরে থাকলেও কি সানস্ক্রিন লাগাতে হবে? উত্তর: হ্যাঁ, দিনের বেলায় ঘরে থাকলেও সানস্ক্রিন লাগানো ভালো অভ্যাস। জানালা দিয়ে আসা রোদ ত্বকে লাগতে পারে। প্রশ্ন: সিরাম কি বাধ্যতামূলক? উত্তর: না। ফেসওয়াশ, ময়েশ্চারাইজার আর সানস্ক্রিনই মূল রুটিন। সিরাম ঐচ্ছিক, এটা আপনার ত্বকের প্রয়োজনে যোগ করতে পারেন। প্রশ্ন: নতুন রুটিন কতদিন চালিয়ে দেখব? উত্তর: ত্বক স্বস্তি পাচ্ছে কি না তা বুঝতে অন্তত দুই থেকে চার সপ্তাহ নিয়মিত ব্যবহার করুন। এর মধ্যে জ্বালা বা র‍্যাশ হলে ব্যবহার বন্ধ করুন। কেনার পরামর্শ সকালের রুটিনের জন্য আপনার দরকার একটি হালকা ফেসওয়াশ, একটি ময়েশ্চারাইজার আর একটি সানস্ক্রিন। সিরাম ব্যবহার করতে চাইলে একটি ভিটামিন সি সিরাম যোগ করতে পারেন। Well Care Shop থেকে আপনার ত্বকের ধরনের সাথে মেলে এমন ফেসওয়াশ, ময়েশ্চারাইজার আর সানস্ক্রিন বেছে নিন। দাম আর স্টক সময়ের সাথে বদলাতে পারে, তাই কেনার আগে প্রোডাক্ট পেজে বর্তমান দাম আর স্টক দেখে নিন। এই লেখায় কোনো স্থায়ী দামের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়নি, আর কোনো রোগ সারানো বা ত্বকের রং স্থায়ীভাবে বদলে দেওয়ার দাবি করা হয়নি।

শীতে ত্বকের যত্ন
ত্বকের যত্ন

শীতে ত্বকের যত্ন: শুষ্ক ত্বক নরম রাখার সহজ রুটিন

শীতে ত্বকের যত্ন মানে শুষ্ক বাতাস থেকে ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখা। মুখ ধোয়ার পর সামান্য ভেজা ত্বকে ময়েশ্চারাইজার লাগানো, কুসুম গরম পানিতে গোসল করা আর দিনের বেলা সানস্ক্রিন ব্যবহার করা, এই তিনটি অভ্যাসই শীতের মূল যত্ন। শীতে বাতাসে আর্দ্রতা কমে যায়। ত্বক থেকে পানি দ্রুত বেরিয়ে যায়, তাই ত্বকে টান ধরে, খসখসে ভাব আসে আর ঠোঁট ফাটে। এই লেখায় শীতের সকাল আর রাতের সহজ রুটিন, ত্বকের ধরন অনুযায়ী বাছাই আর সাধারণ ভুলগুলো ধাপে ধাপে দেওয়া আছে। শীতে ত্বকের যত্নে যা যা লাগবে মৃদু ফেসওয়াশ লাগবে, যাতে মুখ পরিষ্কার হয় কিন্তু ত্বক টানটান না হয়। ভালো ময়েশ্চারাইজার লাগবে, শুষ্ক ত্বকের জন্য ঘন ক্রিম আর তৈলাক্ত ত্বকের জন্য হালকা জেল ভালো কাজ করে। দিনের বেলা সানস্ক্রিন লাগবে, কারণ শীতেও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকে পৌঁছায়। ঠোঁটের জন্য সুগন্ধিহীন লিপ বাম রাখা ভালো। হাত আর পায়ের জন্য আলাদা ক্রিম রাখলে শীতের ফাটা কমে। শীতে ত্বকের যত্নের ধাপ ১. কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে নিন। খুব গরম পানি ত্বকের স্বাভাবিক তেল ধুয়ে নেয়, তাই শীতে গরম পানি এড়িয়ে চলুন। ২. মুখ ধোয়ার পর তোয়ালে দিয়ে জোরে ঘষবেন না। ত্বক হালকা করে মুছে নিন, যাতে ত্বক সামান্য ভেজা থাকে। ৩. ত্বক সামান্য ভেজা থাকতেই ময়েশ্চারাইজার লাগান। এই সময় ময়েশ্চারাইজার আর্দ্রতা ভালোভাবে আটকে রাখতে পারে। ৪. দিনের বেলা বাইরে বেরোনোর আগে সানস্ক্রিন লাগান। শীতে ব্যবহারের সানস্ক্রিন বাছাই করার সময় ত্বকের ধরন দেখে নিন, তৈলাক্ত ত্বকের জন্য জেল ধরনের সানস্ক্রিন আরামদায়ক হয়। ৫. রাতে ঘুমানোর আগে আবার মুখ পরিষ্কার করে ময়েশ্চারাইজার লাগান। রাতে ত্বক বিশ্রাম পায়, তাই রাতের ময়েশ্চারাইজার শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করে। ৬. ঠোঁটে নিয়মিত লিপ বাম লাগান। ঠোঁট ফাটলে জিভ দিয়ে বারবার ভেজাবেন না, এতে ফাটা আরো বাড়ে। ৭. হাত ধোয়ার পর হাতে ক্রিম লাগান। শীতে বারবার হাত ধোয়ার কারণে হাতের ত্বক দ্রুত শুষ্ক হয়। ত্বকের ধরন অনুযায়ী বাছাই ত্বকের ধরন ময়েশ্চারাইজার সানস্ক্রিন শুষ্ক ত্বক ঘন ক্রিম ক্রিম ধরনের সানস্ক্রিন তৈলাক্ত ত্বক হালকা জেল জেল বা অয়েল ফ্রি সানস্ক্রিন মিশ্র ত্বক শুষ্ক জায়গায় ক্রিম, তৈলাক্ত জায়গায় জেল হালকা সানস্ক্রিন সংবেদনশীল ত্বক সুগন্ধিহীন ময়েশ্চারাইজার সুগন্ধিহীন সানস্ক্রিন শীতে ব্যবহারের জন্য প্রোডাক্ট সাজেশন শীতে ব্যবহারের জন্য নিচের প্রোডাক্টগুলো রুটিন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারেন। বর্তমান দাম আর স্টক প্রোডাক্ট পেজে দেখে নিন। প্রোডাক্ট ব্যবহার বিধি অর্ডার করুন শীতে মুখ ধোয়ার জন্য The Face Shop Rice Water Bright Foaming Cleanser কুসুম গরম পানি দিয়ে আলতো করে মুখ ধুয়ে নিন অর্ডার করুন শুষ্ক ত্বকের জন্য DABO All In One Black Snail Repair Cream ত্বক সামান্য ভেজা থাকতেই ঘন ময়েশ্চারাইজার হিসেবে লাগান অর্ডার করুন শুষ্ক ত্বকের জন্য The Face Shop Rice & Ceramide Moisturizing Cream শুষ্ক ত্বকে ময়েশ্চারাইজার হিসেবে সকাল ও রাতে লাগান অর্ডার করুন শীতে ব্যবহারের জন্য Fairy Skin Premium Tinted Sunscreen দিনের বেলা বাইরে বেরোনোর আগে লাগান অর্ডার করুন নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী শুষ্ক ত্বকের ময়েশ্চারাইজার বাছাই করতে পারেন। শীতে যে ভুলগুলো বেশি হয় অনেকে শীতে মুখ ধোয়া কমিয়ে দেন, এতে ময়লা জমে ত্বক আরো খারাপ হয়। অনেকে দিনে একবার ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে ভাবেন সারাদিনের কাজ শেষ, কিন্তু শীতে ত্বক আবার শুষ্ক হলে সকালে আর রাতে ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হয়। গরম পানিতে লম্বা গোসল করা আর কড়া সাবান ব্যবহার করা শীতের দুটি বড় ভুল। সানস্ক্রিন শুধু গরমের জন্য ভেবে শীতে বাদ দেওয়াও ভুল, কারণ শীতেও অতিবেগুনি রশ্মি থাকে। নতুন প্রোডাক্ট মুখে সরাসরি লাগানোর আগে প্যাচ টেস্ট না করলে জ্বালা বা লালচে ভাব দেখা দিতে পারে। শীতে হাত, পা আর শরীরের যত্ন শীতে শুধু মুখের ত্বক শুষ্ক হয় না, হাত, পা আর শরীরের ত্বকও শুষ্ক হয়। গোসলের পর শরীর সামান্য ভেজা থাকতেই বডি লোশন বা ক্রিম লাগান। হাত ধোয়ার পর হাতে ক্রিম লাগাতে ভুলবেন না, কারণ শীতে হাত সবচেয়ে বেশি ধোয়া হয়। পা ফাটলে রাতে পায়ে ঘন ক্রিম লাগিয়ে মোজা পরে ঘুমাতে পারেন। শরীরের ত্বকে চুলকানি হলে জোরে চুলকাবেন না, এতে ত্বক আরো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কড়া সাবান বাদ দিয়ে মৃদু সাবান বা বডি ওয়াশ ব্যবহার করা ভালো। শীতে পানি কম খাওয়া হয়, কারণ তেষ্টা কম পায়। পানি কম খেলে ত্বক সরাসরি শুষ্ক হয়, এমন নিশ্চিত প্রমাণ নেই, কিন্তু শরীরের স্বাভাবিক কাজের জন্য নিয়মিত পানি খাওয়া দরকার। ঘরে বাতাস খুব শুষ্ক হলে জানালা খুলে বাতাস চলাচল করতে দিন। খুব গরম ঘরে দীর্ঘক্ষণ থাকলে ত্বক আরো শুষ্ক হতে পারে। শীতের রুটিনে বড় বদল আনার দরকার নেই, ছোট ছোট অভ্যাস বদলালেই ত্বক ভালো থাকে। কখন ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন ত্বকে দীর্ঘদিন চুলকানি, লালচে ভাব, ফাটা থেকে রক্ত বেরোনো বা ফোসকা দেখা দিলে নিজে নতুন প্রোডাক্ট পরীক্ষা করবেন না। শিশুর ত্বকে র‍্যাশ দীর্ঘদিন থাকলেও ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এই লেখা সাধারণ যত্নের গাইড, এটা চিকিৎসার পরামর্শ নয়। কোনো ওষুধ বা মেডিকেটেড ক্রিম ব্যবহারের আগে প্যাকের নির্দেশনা পড়ুন, আর প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। সারাংশ শীতে ত্বকের যত্ন কঠিন নয়, নিয়মিত হওয়াটাই আসল কাজ। কুসুম গরম পানি, মৃদু ফেসওয়াশ, ভেজা ত্বকে ময়েশ্চারাইজার, দিনের বেলা সানস্ক্রিন আর ঠোঁটের যত্ন, এই পাঁচটি অভ্যাস ধরে রাখলে শীতেও ত্বক নরম থাকে। নতুন প্রোডাক্ট শুরু করলে প্যাচ টেস্ট করুন। জ্বালা, লালচে ভাব বা ফাটা দীর্ঘদিন থাকলে নিজে পরীক্ষা না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা প্রশ্ন শীতে ত্বক শুষ্ক হয় কেন? শীতে বাতাসে আর্দ্রতা কমে যায়, তাই ত্বক থেকে পানি দ্রুত বেরিয়ে যায়। ঠান্ডা বাতাস আর গরম পানিতে গোসল করলে শুষ্কতা আরো বাড়ে। মুখ ধোয়ার পর কখন ময়েশ্চারাইজার লাগাব? মুখ ধোয়ার পর ত্বক সামান্য ভেজা থাকতেই ময়েশ্চারাইজার লাগান। ত্বক পুরো শুকিয়ে গেলে ময়েশ্চারাইজার আর্দ্রতা ধরে রাখতে কম সাহায্য করে। শীতে সানস্ক্রিন কি লাগবে? হ্যাঁ, শীতেও সানস্ক্রিন লাগবে। রোদ কম থাকলেও অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকে পৌঁছায়, তাই দিনের বেলা বাইরে বেরোনোর আগে সানস্ক্রিন লাগান। ঠোঁট ফাটলে কী করব? ঠোঁটে নিয়মিত সুগন্ধিহীন লিপ বাম লাগান। ঠোঁট জিভ দিয়ে ভেজাবেন না, আর ফাটা অংশ টেনে তুলবেন না। ফাটা দীর্ঘদিন থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। গরম পানিতে গোসল কি ত্বক শুষ্ক করে? হ্যাঁ, খুব গরম পানি ত্বকের স্বাভাবিক তেল ধুয়ে নেয়। শীতে কুসুম গরম পানিতে অল্প সময়ে গোসল করা ভালো, আর গোসলের পরপরই ময়েশ্চারাইজার লাগান।

azelaic acid ব্যবহারের নিয়ম
ত্বকের যত্ন

azelaic acid ব্যবহারের নিয়ম – সঠিকভাবে ব্যবহারের ধাপে ধাপে নিয়ম

আগের আর্টিকেলে আমরা জেনেছিলাম azelaic acid কী আর এটা কীভাবে কাজ করে। কিন্তু শুধু জানলেই তো হবে না – সঠিক নিয়মে ব্যবহার না করলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন, উল্টো ত্বক জ্বালাপোড়া করতে পারে। তাই এই আর্টিকেলে আমরা একদম হাতে-কলমে দেখব azelaic acid ব্যবহারের নিয়ম কী, কতটুকু লাগাবেন, কখন লাগাবেন, আর কোন কোন ভুল মানুষ প্রায়ই করে ফেলে। azelaic acid ব্যবহারের নিয়ম – শুরু করার আগে যা জেনে রাখা জরুরি নতুন কোনো অ্যাক্টিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট ত্বকে ব্যবহার শুরু করার আগে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া ভালো অভ্যাস। কানের পেছনে বা চোয়ালের নিচের অংশে সামান্য পরিমাণ লাগিয়ে ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। কোনো তীব্র লালচে ভাব, চুলকানি বা ফোলাভাব না দেখা দিলে তবেই পুরো মুখে ব্যবহার শুরু করুন। আগে থেকে যদি কোনো ত্বকের সমস্যায় ডাক্তার দেখিয়ে থাকেন বা প্রেসক্রাইবড কোনো মেডিসিন ব্যবহার করেন, নতুন কিছু যোগ করার আগে তাকে জানিয়ে রাখা ভালো। ধাপে ধাপে সঠিক ব্যবহারের নিয়ম মুখ পরিষ্কার করুন: সাধারণ পানি বা মাইল্ড একটা ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ভালোভাবে ধুয়ে শুকনো কাপড় দিয়ে হালকা করে মুছে নিন। ত্বক সম্পূর্ণ শুকিয়ে যাওয়ার পর প্রোডাক্ট লাগান। অল্প পরিমাণে নিন: পুরো মুখের জন্য মটর দানার সমান পরিমাণই সাধারণত যথেষ্ট। বেশি লাগালে বাড়তি উপকার হয় না, বরং জ্বালাপোড়ার ঝুঁকি বাড়ে। আলতোভাবে লাগান: আঙুলের ডগা দিয়ে হালকা চাপে পুরো মুখে সমানভাবে বিলিয়ে দিন। ঘষাঘষি করার দরকার নেই। চোখ ও মুখের ভেতরের অংশ এড়িয়ে চলুন: ভুলবশত লেগে গেলে সাথে সাথে প্রচুর পরিমাণ পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। হাত ধুয়ে নিন: প্রোডাক্ট লাগানোর পর হাত ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন, যাতে অন্য জায়গায় লেগে না যায়। কীভাবে ধীরে ধীরে ত্বককে অভ্যস্ত করবেন একসাথে বেশি ব্যবহার শুরু করলে ত্বক মানিয়ে নিতে পারে না। তাই শুরুর দিকে: প্রথম সপ্তাহ শুধু রাতে, দিনে একবার ব্যবহার করুন। ত্বক ভালোভাবে মানিয়ে নিলে ধীরে ধীরে দিনে দুইবারে যান। সংবেদনশীল ত্বক হলে প্রথম কয়েক সপ্তাহ সপ্তাহে ২-৩ দিন ব্যবহার করে তারপর বাড়াতে পারেন। তাড়াহুড়ো করে প্রথম দিন থেকেই দিনে দুইবার ব্যবহার শুরু করাটা সবচেয়ে সাধারণ একটা ভুল, যেটা অনেক সময় জ্বালাপোড়া বাড়িয়ে মানুষকে পুরো প্রোডাক্টটাই ব্যবহার বন্ধ করে দিতে বাধ্য করে। অন্যান্য স্কিনকেয়ার প্রোডাক্টের সাথে ব্যবহারের নিয়ম কোন প্রোডাক্টের সাথে azelaic acid ভালোভাবে মিশে যায় আর কোনটার সাথে সাবধান থাকতে হয়, সেটা জানা থাকলে রুটিন সাজানো অনেক সহজ হয়ে যায়। Vitamin C: একসাথে ব্যবহার করা যায়, কোনো সমস্যা হয় না। তবে সংবেদনশীল ত্বকে সকালে Vitamin C আর রাতে azelaic acid – এভাবে ভাগ করে নিলে জ্বালাপোড়ার ঝুঁকি কম থাকে। Niacinamide: এই দুটো একসাথে খুব ভালোভাবে কাজ করে, এমনকি একই রুটিনে দুটোই ব্যবহার করা যায় কোনো সমস্যা ছাড়াই। Retinol: দুটোই শক্তিশালী অ্যাক্টিভ, তাই একসাথে একই সময়ে না লাগিয়ে আলাদা করে ব্যবহার করাই ভালো – যেমন সকালে azelaic acid, রাতে Retinol, অথবা একদিন পরপর। AHA/BHA (Salicylic, Glycolic, Lactic Acid): এই ধরনের এক্সফোলিয়েটিং অ্যাসিডের সাথে একসাথে ব্যবহার করলে ত্বকে বাড়তি চাপ পড়তে পারে – তাই একদিন পরপর ব্যবহার করাই নিরাপদ। সাধারণ নিয়ম হলো – একসাথে একের বেশি নতুন অ্যাক্টিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট রুটিনে যোগ না করা এবং একাধিক শক্তিশালী অ্যাক্টিভ একই সময়ে না লাগানো। সকাল না রাত – কখন ব্যবহার করবেন Azelaic acid সকাল বা রাত – দুই সময়ই ব্যবহার করা যায়। তবে দিনের বেলা ব্যবহার করলে অবশ্যই এর উপরে সানস্ক্রিন লাগাতে হবে, কারণ যেকোনো অ্যাক্টিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট ব্যবহারের সময় ত্বককে রোদ থেকে সুরক্ষা দেওয়া জরুরি। অনেকে সুবিধার জন্য রাতের রুটিনেই এটা রাখেন, যাতে দিনের বেলা রুটিন সহজ থাকে। সাধারণ কিছু ভুল যা মানুষ প্রায়ই করে বেশি পরিমাণে লাগানো: বেশি লাগালে দ্রুত ফল পাওয়া যাবে – এই ধারণা ভুল। উল্টো জ্বালাপোড়া বাড়ে। প্রথম দিন থেকেই দিনে দুইবার ব্যবহার: ত্বককে সময় না দিয়ে শুরু থেকেই বেশি ব্যবহার করলে ইরিটেশনের ঝুঁকি বাড়ে। ভেজা বা নোংরা ত্বকে লাগানো: মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার ও শুকনো না করে লাগালে প্রোডাক্ট ঠিকভাবে কাজ করে না। ময়েশ্চারাইজার বাদ দেওয়া: অ্যাক্টিভ ব্যবহারের সময় ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে, তাই ময়েশ্চারাইজার বাদ দিলে অস্বস্তি বাড়ে। দ্রুত ফল আশা করে কয়েকদিনেই বন্ধ করে দেওয়া: ফলাফল দেখতে সাধারণত কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে, তাই ধৈর্য ধরে নিয়মিত ব্যবহার চালিয়ে যাওয়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একসাথে অনেকগুলো নতুন অ্যাক্টিভ শুরু করা: এতে ত্বকে কোন প্রোডাক্টে সমস্যা হচ্ছে তা বোঝাই কঠিন হয়ে যায়। জ্বালাপোড়া বা প্রতিক্রিয়া হলে কী করবেন সামান্য চুলকানি, লালচে ভাব বা শুষ্কতা শুরুর দিকে স্বাভাবিক এবং সাধারণত কয়েক সপ্তাহে কমে আসে। এমন হলে: ব্যবহারের পরিমাণ বা ফ্রিকোয়েন্সি সাময়িকভাবে কমিয়ে দিন। একটা অয়েল-ফ্রি, সহনীয় ময়েশ্চারাইজার নিয়মিত ব্যবহার করুন। সমস্যা তীব্র হলে বা কয়েকদিনের বেশি স্থায়ী থাকলে ব্যবহার বন্ধ করে একজন ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ নিন। মুখ-গলা ফুলে যাওয়া, তীব্র চুলকানি বা শ্বাসকষ্টের মতো লক্ষণ দেখা দিলে এটা অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশনের ইঙ্গিত হতে পারে – এমন হলে সাথে সাথে ব্যবহার বন্ধ করে দ্রুত চিকিৎসকের সাহায্য নিন। Skinoren আর Finacea ব্যবহারে সামান্য পার্থক্য উপরের সাধারণ নিয়মগুলো দুটো প্রোডাক্টের জন্যই প্রযোজ্য, তবে ছোট কিছু পার্থক্য মাথায় রাখা ভালো: Skinoren Cream (20%): মূলত ব্রণের জন্য, ক্রিম ফর্মুলেশন, সাধারণত রাতে বা দিনে দুইবার ব্যবহার করা হয়। Finacea Gel (15%): রোজেসিয়ার জন্য তৈরি জেল ফর্মুলেশন, সাধারণত দিনে দুইবার (সকাল-সন্ধ্যা) ব্যবহারের কথা বলা হয়, তবে সংবেদনশীল ত্বকে একইভাবে ধীরে ধীরে শুরু করা উচিত। প্রতিটা প্রোডাক্টের নিজস্ব প্যাকেজ নির্দেশনা সবসময় অগ্রাধিকার পাবে, আর নির্দিষ্ট কোনো সমস্যায় কোনটা বেশি উপযুক্ত তা জানতে ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া সবচেয়ে ভালো। প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ) Azelaic acid লাগানোর পর মেকআপ করা যাবে? হ্যাঁ, প্রোডাক্ট ত্বকে ভালোভাবে বসে যাওয়ার পর (কয়েক মিনিট অপেক্ষা করে) মেকআপ করা যায়। Vitamin C আর azelaic acid কোনটা আগে লাগাবো? সাধারণত পাতলা টেক্সচারের প্রোডাক্টটা (বেশিরভাগ ক্ষেত্রে Vitamin C) আগে লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে তারপর azelaic acid লাগানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। সংবেদনশীল ত্বকে দুটো আলাদা সময়ে (সকাল-রাত) ব্যবহার করাই বেশি নিরাপদ। কতদিন ব্যবহার করলে পার্থক্য বোঝা যাবে? এটা আগের আর্টিকেলে বিস্তারিত বলা হয়েছে – সংক্ষেপে, সাধারণত ৪ সপ্তাহের মধ্যে উন্নতি টের পাওয়া যায়, তবে সেরা ফলের জন্য নিয়মিত কয়েক মাস ব্যবহার চালিয়ে যেতে হয়। একসাথে Skinoren আর Finacea দুটোই ব্যবহার করা যাবে? সাধারণত একই ধরনের অ্যাক্টিভের দুটো আলাদা প্রোডাক্ট একসাথে ব্যবহারের দরকার হয় না। কোনটা কখন প্রয়োজন, সেটা ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী ঠিক করাই ভালো। Azelaic acid থেকে ভালো ফল পাওয়ার আসল চাবিকাঠি হলো সঠিক নিয়মে, ধীরে ধীরে আর নিয়মিতভাবে ব্যবহার করা – তাড়াহুড়ো করে বেশি লাগানো বা কয়েকদিনেই ছেড়ে দেওয়া না। এই লেখাটা সাধারণ তথ্যের জন্য; আপনার ত্বকের নির্দিষ্ট অবস্থা অনুযায়ী সঠিক পরামর্শের জন্য একজন ডার্মাটোলজিস্টের সাথে কথা বলাই সবচেয়ে নিরাপদ।

Azelaic Acid কী
ত্বকের যত্ন

Azelaic Acid কী এবং এটি কীভাবে ব্রণ ও রোজেসিয়ায় কাজ করে

আপনি হয়তো Skinoren বা Finacea-এর মতো প্রোডাক্টের গায়ে “azelaic acid” নামটা দেখেছেন, আর মনে প্রশ্ন এসেছে – azelaic acid কি জিনিস, আর এটা আসলে ত্বকের কী কাজে লাগে? সহজ কথায় বলতে গেলে, azelaic acid হলো একটা প্রাকৃতিক উপাদান, যা শস্যদানায় এবং আমাদের ত্বকের নিজস্ব এক ধরনের ইস্টে স্বাভাবিকভাবেই পাওয়া যায়। ব্রণ, রোজেসিয়া আর ত্বকের কালচে দাগের চিকিৎসায় ডার্মাটোলজিস্টরা দশকের পর দশক ধরে এটা ব্যবহার করে আসছেন। এই লেখায় আমরা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত জানব – এটা আসলে কী, কীভাবে কাজ করে, কীভাবে ব্যবহার করা উচিত, আর কী কী বিষয়ে সতর্ক থাকা দরকার। Azelaic Acid কী Azelaic Acid একটা ডাইকার্বক্সিলিক অ্যাসিড – শুনতে জটিল লাগলেও এর উৎস কিন্তু বেশ সাধারণ। এটা প্রাকৃতিকভাবে গম, বার্লি আর রাই-এর মতো শস্যদানায় পাওয়া যায়। আরও মজার ব্যাপার হলো, আমাদের ত্বকেই থাকা Malassezia furfur নামের একটা ইস্ট যখন ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ভেঙে ফেলে, তখনও এই একই উপাদান তৈরি হয়। অর্থাৎ, এটা কোনো ল্যাবে বানানো কড়া কেমিক্যাল না, বরং এমন একটা উপাদান যেটার সাথে আমাদের ত্বকের আগে থেকেই পরিচয় আছে। এই কারণেই azelaic acid-কে তুলনামূলকভাবে “জেন্টল” অ্যাক্টিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট হিসেবে ধরা হয় – Retinol বা কিছু কড়া অ্যাসিডের মতো এটা সবসময় প্রচণ্ড জ্বালাপোড়া করে না, যদিও ব্যক্তিভেদে প্রতিক্রিয়া আলাদা হতে পারে। Azelaic Acid কী এবং ত্বকে কীভাবে কাজ করে Azelaic acid একসাথে কয়েকটা দিক থেকে কাজ করে বলেই এটা এত বহুমুখী একটা উপাদান হিসেবে পরিচিত। ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে: ব্রণ তৈরির পেছনে যে ব্যাকটেরিয়ার ভূমিকা থাকে (Cutibacterium acnes), azelaic acid সেটার বৃদ্ধি আটকে দেয়। এমনকি Staphylococcus-এর মতো অন্যান্য ত্বকের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধেও এটা কার্যকর। প্রদাহ কমায়: রোজেসিয়ায় ত্বকে যে লালচে ভাব আর প্রদাহ হয়, তার পেছনে ত্বকের একটা নির্দিষ্ট প্রদাহজনক পথ (cathelicidin pathway) কাজ করে। Azelaic acid এই পথটাকে শান্ত করতে সাহায্য করে, ফলে লালচে ভাব ও ফুসকুড়ির মতো সমস্যা কমে আসে। পোরস পরিষ্কার রাখে: ত্বকের উপরের স্তরে মৃত কোষ জমে গিয়ে যে পোরস বন্ধ হয়ে যায় (যেটা ব্ল্যাকহেড আর হোয়াইটহেডের কারণ), azelaic acid কেরাটিনাইজেশনের এই প্রক্রিয়াটা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। দাগ ও কালচে ভাব হালকা করে: ত্বকে মেলানিন তৈরির জন্য দায়ী টাইরোসিনেজ নামের একটা এনজাইমকে azelaic acid বাধা দেয়। এই কারণেই ব্রণ সেরে যাওয়ার পর যে কালচে দাগ থেকে যায় (পোস্ট-অ্যাকনে হাইপারপিগমেন্টেশন), সেটা হালকা করতেও এটা ব্যবহার করা হয়। কোন কোন সমস্যায় Azelaic Acid ব্যবহার করা হয় ব্রণ: কমেডোনাল (ব্ল্যাকহেড-হোয়াইটহেড) এবং ইনফ্লেমেটরি (লাল, ফোলা) – দুই ধরনের ব্রণেই azelaic acid ব্যবহার করা হয়। এই কারণেই Skinoren-এর মতো 20% azelaic acid cream ব্রণের চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত। রোজেসিয়া: মুখে লালচে ভাব আর ছোট ছোট ফুসকুড়ি নিয়ে আসা প্যাপুলোপাস্টুলার রোজেসিয়ার চিকিৎসায় azelaic acid একটা প্রথম সারির চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয় – সাধারণত এক্ষেত্রে 15% জেল ফর্মুলেশন (যেমন Finacea) ব্যবহার করা হয়, যা রোজেসিয়ার লালচে ভাব ও ফুসকুড়ি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সাহায্য করে। ব্রণ-পরবর্তী দাগ ও মেলাজমা: ব্রণ সেরে যাওয়ার পরেও যে দাগ থেকে যায়, বা মুখে অসম রঙের যে সমস্যা (মেলাজমা), সেখানেও এটা ব্যবহার হয়ে থাকে। Azelaic Acid কীভাবে ব্যবহার করবেন এখানে যা বলা হচ্ছে সেটা সাধারণ তথ্য হিসেবে – প্রতিটা প্রোডাক্টের নিজস্ব প্যাকেজ নির্দেশনা মেনে চলা এবং সম্ভব হলে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে ভালো। প্রথমে সাধারণ পানি বা হালকা কোনো ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ভালোভাবে পরিষ্কার করে শুকিয়ে নিন। অল্প পরিমাণ ক্রিম বা জেল নিয়ে আক্রান্ত জায়গায় আলতোভাবে লাগান (পুরো মুখের জন্য সাধারণত মটর দানার সমান পরিমাণই যথেষ্ট)। ত্বক সংবেদনশীল হলে প্রথম সপ্তাহ শুধু রাতে একবার ব্যবহার করে দেখুন, তারপর ধীরে ধীরে দিনে দুইবারে যান। চোখ, মুখের ভেতর বা অন্যান্য মিউকাস মেমব্রেনের সংস্পর্শে যেন না আসে, খেয়াল রাখুন। ভুলবশত লেগে গেলে সাথে সাথে পরিষ্কার পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ব্যবহারের পর হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিন। ফলাফল পেতে কত সময় লাগে ধৈর্য এখানে জরুরি একটা অংশ। ব্রণের ক্ষেত্রে সাধারণত ৪ সপ্তাহের মধ্যে চোখে পড়ার মতো উন্নতি দেখা যায়, তবে সেরা ফলাফলের জন্য কয়েক মাস নিয়মিত ব্যবহার চালিয়ে যেতে হয়। রোজেসিয়ার ক্ষেত্রে ত্বক ভালো হতে শুরু করার আগে কখনো কখনো ১২ সপ্তাহ পর্যন্তও সময় লাগতে পারে। কয়েকদিন ব্যবহার করেই ফলাফল না দেখে হতাশ হয়ে বন্ধ করে দেওয়া উচিত না – নিয়মিত ব্যবহারই এখানে আসল কথা। সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই azelaic acid-এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হালকা এবং সাময়িক। ব্যবহারের জায়গায় সামান্য জ্বালাপোড়া, চুলকানি, লালচে ভাব বা শুষ্কতা হতে পারে, যা সাধারণত ত্বক অভ্যস্ত হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে কমে আসে। শুষ্কতা বেশি মনে হলে একটা অয়েল-ফ্রি ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে। খুব কম ক্ষেত্রে অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন হতে পারে – মুখ-গলা ফুলে যাওয়া, তীব্র চুলকানি বা শ্বাসকষ্টের মতো লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে ব্যবহার বন্ধ করে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। কিছু ক্ষেত্রে হাঁপানি রোগীদের সমস্যা বাড়ার কথাও রিপোর্ট করা হয়েছে, যদিও এটা খুবই বিরল। কাদের সতর্ক থাকা উচিত ও কখন ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন যাদের azelaic acid বা প্রোডাক্টের অন্য কোনো উপাদানে অ্যালার্জি আছে, তাদের এটা ব্যবহার করা উচিত না। গর্ভবতী বা বুকের দুধ খাওয়ানো অবস্থায় থাকলে ব্যবহারের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সংবেদনশীল ত্বক হলে অল্প পরিমাণে শুরু করে ত্বকের প্রতিক্রিয়া বুঝে এগোনো ভালো। ব্যবহারের পর যদি জ্বালাপোড়া বা লালচে ভাব কয়েকদিনের বেশি স্থায়ী থাকে বা বাড়তে থাকে, তাহলে ব্যবহার বন্ধ করে একজন ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এই লেখাটা সাধারণ তথ্যের জন্য – এটা কোনো ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প না। আপনার ত্বকের নির্দিষ্ট সমস্যা অনুযায়ী সঠিক পরামর্শের জন্য একজন ডার্মাটোলজিস্টের সাথে কথা বলাই সবচেয়ে নিরাপদ পথ। Azelaic Acid বনাম অন্যান্য জনপ্রিয় অ্যাক্টিভ Retinol বা Vitamin C-এর সাথে তুলনা করলে azelaic acid-এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটা তুলনামূলক কম ইরিটেটিং, আর গর্ভাবস্থায়ও এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা কম থাকে (তবে তারপরও ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া নয়)। রোজেসিয়ার মতো সংবেদনশীল সমস্যায় Retinol যেখানে অনেক সময় বাড়তি জ্বালাপোড়া তৈরি করে, সেখানে azelaic acid অনেক বেশি সহনীয়। কোন অ্যাক্টিভ কার জন্য বেশি উপযুক্ত, আর একসাথে কোনগুলো ব্যবহার করা উচিত না – এই নিয়ে আমরা আলাদা একটা বিস্তারিত আর্টিকেলে আলোচনা করব। কীভাবে বুঝবেনAzelaic Acid কী আপনার জন্য উপযুক্ত কিনা আপনার যদি নিচের যেকোনো একটা সমস্যা থাকে, azelaic acid নিয়ে ডার্মাটোলজিস্টের সাথে আলোচনা করে দেখতে পারেন: বারবার ব্রণ হচ্ছে, বিশেষ করে ব্ল্যাকহেড বা ছোট ছোট ফুসকুড়ি ধরনের মুখে লালচে ভাব বা রোজেসিয়ার মতো সমস্যা আছে ব্রণ সেরে যাওয়ার পরেও কালচে দাগ থেকে যাচ্ছে কড়া অ্যাক্টিভ ইনগ্রেডিয়েন্ট ত্বক সহ্য করতে পারে না, কিন্তু তাও ফলাফল চান Well Care Shop-এ Azelaic Acid প্রোডাক্ট আমাদের কালেকশনে দুটো azelaic acid ভিত্তিক প্রোডাক্ট আছে, দুটো ভিন্ন প্রয়োজনের জন্য: Skinoren Cream (20% Azelaic Acid): মূলত ব্রণের চিকিৎসার জন্য তৈরি, কমেডোনাল ও ইনফ্লেমেটরি – দুই ধরনের ব্রণেই ব্যবহারযোগ্য। Finacea Gel (15% Azelaic Acid): রোজেসিয়া ও এর

Shopping Cart

Subscribe to Newsletter

About Us

Your trusted destination for 100% authentic skincare and beauty products in Bangladesh. We deliver premium, safe, and effective beauty essentials directly to your doorstep.

Recent news

  • All Post
  • উপাদান গাইড
  • ঋতুভিত্তিক যত্ন
  • চুলের যত্ন
  • নাইট কেয়ার ও নিরাপদ হোয়াইটেনিং
  • পুরুষের ত্বক ও চুলের যত্ন
  • বিউটি টিপস
  • ব্রণ ও দাগের যত্ন
  • মা ও শিশুর যত্ন
  • সংবেদনশীল ত্বকের যত্ন
  • সানস্ক্রিন ও রোদ সুরক্ষা
    •   Back
    • ত্বকের যত্ন

Copyright © 2026 Well Care Shop | Design by Raozan IT

Scroll to Top